যুদ্ধ চাই না, কিন্তু যে কোনও আগ্রাসনের প্রতি কঠোর প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে: আরাগচি
য দ ধ চ ই ন তব – ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক শত্রুদের প্রতি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে ঘোষণা করেছেন যে তেহরান কখনো যুদ্ধ চায় না, তবে দেশের ওপর কোনও আগ্রাসন চাপিয়ে দেওয়া হলে তার সিদ্ধান্তমূলক জবাব দেওয়া হবে। এই বার্তা লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিনের সাক্ষাৎকারে তিনি প্রকাশ করেন।
পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো নিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট মত ব্যক্ত
আরাগচি বলেন, যে কোনও আগ্রাসনের জন্য যদি পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করে তবে ইরানও সেই ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করবে। তিনি আরও জানান যে ওয়াশিংটনের সামরিক উপস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তাহীনতা বয়ে এনেছে এবং সেটি সুরক্ষার পরিবর্তে অনুভূত হচ্ছে।
যুদ্ধের সেই চরম উত্তেজনাকর মুহূর্তে নিজের নিরাপত্তার চেয়ে দেশের সর্বোচ্চ নেতার নিরাপত্তা নিয়েই আমি বেশি চিন্তিত ছিলাম। হামলার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দুই দিন পর্যন্ত আমি নেতার ভাগ্য নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় ছিলাম।
রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা
গত ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে ভোরে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের ওপর হামলা চালায় সেই সময় আরাগচি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনির দফতরে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ইরানি নাগরিকদের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য নিজে কোনও নিরাপদ আশ্রয়ে যাবেন না হলে সর্বোচ্চ নেতার নিরাপত্তা বজায় রাখা বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছিলেন।
শহীদ নেতার প্রতি ইরানি জনগণের আনুগত্য ও ভালোবাসা বর্তমানে পূর্ণমাত্রায় বজায় রয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় ও সামরিক কাঠামো সম্পূর্ণ সংগঠিত রয়েছে এবং প্রতিরোধ অক্ষের প্রতি তেহরানের নীতিগত সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী ভূমিকার মাধ্যমে দেশের সার্বিক কর্তৃত্ব নিজের হাতে রাখার মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণে রাখছেন। সরকারি কর্মকর্তারা তা নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করছেন এবং নেতৃত্বের স্থায়িত্ব বজায় রাখছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
