রামিসা হত্যার ঘটনায় সোহেল ও স্বপ্নাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিচ্ছে পুলিশ
র ম স হত য – রামিসা হত্যার ঘটনার পর সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রস্তুত হচ্ছে। বাংলাদেশের ঢাকার মিরপুরে স্কুলে পড়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। সোমবার দুপুরে আদালতে চার্জশিট জমা দেবার জন্য পুলিশ প্রস্তুতি নিচ্ছে।
টেস্ট রিপোর্ট নিশ্চিত করে আসামি সোহেল ও স্বপ্নাকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে
রামিসা হত্যার পর ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়ে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করতে যাচ্ছে। মিরপুর থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান জানান যে শনিবার ডিএনএ পরীক্ষা ফল পেয়া হয়েছে। তার আগে কিছু কাজ চলছে এবং সোমবার আদালতে চার্জশিট জমা দেব।
রামিসা হত্যার ঘটনার পর সোহেল ও স্বপ্না আক্তার ছাড়া কারো সঙ্গে পূর্বে কোনও শত্রুতা ছিল না। পরিবার শোবিজ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাথা কেটে গলা থেকে আলাদা করে মরদেহ গুম করে। দুই হাত কাঁধ থেকে বিচ্ছিন্ন করে শয়নকক্ষে খাটের নিচে রাখা হয়।
পুলিশ রামিসা হত্যার ঘটনার পর সত্যতা নিশ্চিত করতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কল করে। রামিসা হত্যার সময় তার পরিবার শোবিজে অংশ নেয়। ঘটনার পর তাদের মাথা কেটে গলা থেকে আলাদা করা হয়। রামিসা হত্যার বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোহেল রানাকে গ্রেফতারে সক্ষম হয় পুলিশ।
সোহেল রানা রামিসা হত্যার ঘটনার পর স্বপ্না আক্তারের সাথে সম্পর্কে স্বীকার করেন। তিনি রামিসা হত্যার সময় ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জানান। তার স্ত্রী রামিসা হত্যার ঘটনার আগে ছিলেন স্কুলে পড়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করছেন। ঘটনার পর তাকে রুমে নিয়ে যান।
রামিসা হত্যার বিষয়ে পুলিশ সম্প্রতি তদন্ত চালাচ্ছে। সোহেল ও স্বপ্না আক্তার রামিসা হত্যার ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা কল করে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের স্ত্রী এবং সোহেল রানার কাছ থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ করে।
রামিসা হত্যার ঘটনার পর তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। রামিসা হত্যার বিষয়ে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার পুলিশকে সম্পূর্ণ সত্যতা বর্ণনা করেছেন। ঘটনার পর তার কাছে বুধবার মামলা দাখিল করা হয়।
