লালবাগে বধির হাই স্কুলের জমি উদ্ধার
ল লব গ বধ র হ ই – বুধবার (১৩ মে) ঢাকার লালবাগে এক সর্বসাধারণ প্রভাবশালী মদিনা গ্রুপের দখলে থাকা বধির হাই স্কুলের জমি উদ্ধার করা হয়। এই অভিযানে ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ ফরিদা খানমের পরিচালনায় সরকারি জমি ফিরে পাওয়া হয়েছে। অনুসারে এই জমি বধির হাই স্কুলের নিয়ন্ত্রণে আসে। এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য বিশেষ শিশুদের শিক্ষা প্রদান করা।
জমি বিতরণ ও দখলের ইতিহাস
২০০৫ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির পক্ষে ঢাকা জেলা প্রশাসক বধির হাই স্কুলের জন্য এক একর জমি দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে স্কুলটি জাতীয়করণ হওয়ায় জমির মালিকানা সরকারের হাতে চলে যায়। তবে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের নেতৃত্বে মদিনা গ্রুপ জমি দখল করে এবং এতে পেট্রোল পাম্প ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলে।
উচ্ছেদ অভিযান ও প্রতিক্রিয়া
দীর্ঘ সময় ধরে তিনবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও মদিনা গ্রুপ পুনরায় জমি দখল করে নেয়। এর পর বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের চৌকস টিম অভিযানে নামে। বধির হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় মানুষ অভিযানের ফলে জমি ফিরে পেয়ার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এখন স্কুল কর্তৃপক্ষ পুনরায় এক একর জমি ব্যবহার করতে পারবেন।
বধির হাই স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই জমি উদ্ধারের পর প্রতিষ্ঠানটি নতুন ভবন নির্মাণ এবং শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণে বাধা পড়বে না। সরকার সূত্রে জানা গেছে যে বধির হাই স্কুল জমি রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসন ও বধির হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ এই জমি উদ্ধারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছেন। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মদিনা গ্রুপের স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। স্কুলের পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আসার পর বধির হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ এখন তাদের অভিযান আরও আগামী পরিকল্পনা চালাতে পারবেন।
এই অভিযানে সরকারি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি রক্ষার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া দেন। তারা বলেন যে বধির হাই স্কুলের জমি উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখন স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। সরকার আরও জানিয়েছে যে ভবিষ্যতে বধির হাই স্কুল জমি রক্ষার জন্য অনুরূপ কার্যক্রম চালু করা হবে।
প্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিক্রিয়া
বধির হাই স্কুলের নতুন প্রতিষ্ঠানের অভিযান এখন সার্থক হবে। এই জমি উদ্ধারের ফলে স্কুলটি নতুন শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে পারবে। অভিযান পরিচালনার সময় লালবাগ সার
