লালমনিরহাট সীমান্তে অবৈধ প্রবেশ চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে
ল লমন রহ ট স ম ন – ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সাহায্যে লালমনিরহাট সীমান্তে পুশইনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেছে। বিজিবি সূত্র অনুসারে, গতকাল শুক্রবার রাতে জেলার তিনটি সীমান্ত পয়েন্টে ৩৩ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) বড়খাতা সীমান্তে ১১ জন, পাটগ্রামের পঁয়ষট্টিবাড়ী সীমান্তে ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দিঘলটারী-দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকায় ১২ জন ছিলেন।
বিজিবি কঠোর নজরদারি ও টহল কার্যক্রম চালানোর ফলে পুশইনের জন্য প্রস্তুত করা ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টা ৩৫ থেকে ১১টা ৪৫ মিনিটে হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ বুড়া সারডুবি সীমান্তের ৮৮৬ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় অবস্থান করা ১১ জনকে ভারতের ১৫৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ছোট মধুসূদন ক্যাম্পের সদস্যরা কাঁটাতারের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেয়। একই সময়ে আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর সীমান্তে অবস্থান করা ১২ জনকে সার্চলাইট বন্ধ করে ভারতে ফিরিয়ে দেয়। শনিবার সকালে আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে পাটগ্রামের পঁয়ষট্টিবাড়ী বিওপি এলাকায় বাকি ১০ জনকে অবৈধ প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে।
বিজিবি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি
১৫ বিজিবির মিডিয়া সেল জানিয়েছে যে সীমান্তে পুশইনের জন্য আনা সব ব্যক্তিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে তিনটি সীমান্ত পয়েন্টে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। যার জন্য বিজিবি কঠোর টহল ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
রংপুর সেক্টর সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে বৈধ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সীমান্তের কাঁটাতারবিহীন এলাকা ও ফেন্সিং গেট ব্যবহার করে বাংলাদেশে লোকজন প্রবেশ করানোর চেষ্টা আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার পরিপন্থি।
রংপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এস এম শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করেন যে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্ব
