গোপালগঞ্জে লুটপাট প্রকল্প প্রতিষ্ঠা: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা
ল টপ ট করত গ প লগঞ – প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ শনিবার এফডিসিতে বাজেট মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞজ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে গোপালগঞ্জে বড় বড় প্রকল্প গ্রহণের প্রয়োজন ছিল এবং তা হয়েছিল লুটপাটের প্রক্রিয়ায়। এই প্রকল্পগুলি মানুষদের অর্থ ও সম্পদ নিয়ে নির্মিত হয়েছিল, কিন্তু তারা সামাজিক উন্নয়নের প্রতিকূল হয়ে আছে।
অর্থনৈতিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে প্রকল্পগুলির মাধ্যমে
ড. মাহমুদ জানান, আমাদের অর্থনৈতিক প্রণালী বর্তমানে বিশেষ ভাবে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়েছে। সরকার এই দুর্দশার মধ্যে বিদ্যুৎ খাত সহ বিভিন্ন খাতে অলিগার্কিক ব্যবস্থা ভাঙতে চাই। এই প্রকল্পগুলি কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রস্তাব করা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তারা সামাজিক সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছিল।
তিনি বলেন, গোপালগঞ্জে প্রকল্পগুলি নেওয়া হয়েছিল এমনকি সেগুলি কোন সেবা প্রদান করতে পারেনি। সরকার সেই বিষয়ে বিশ্লেষণ করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে। তিনি আরও জানান, বড় বড় প্রকল্পগুলি চালু করা হয়েছিল এমনকি এগুলি বর্তমানে সম্পদের নির্মাণে সহায়তা করে না।
উত্তরাঞ্চলে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিকল্পনা
ড. মাহমুদ বলেন, বর্তমানে সরকার ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে উত্তরাঞ্চলে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে সরকার। এখন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সাথে সাথে সমাজের উন্নয়ন হবে বলে আশা করছেন তিনি।
তিনি বলেন, গোপালগঞ্জে বড় বড় প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল কিন্তু সেগুলি সম্পদ প্রদানের পরিবর্তে বর্তমানে সম্পদ সংগ্রহের মাধ্যমে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মতে, এই প্রকল্পগুলি দ্বারা সামাজিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে না যদি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন হয় না।
তিনি আরও বলেন, সরকার নিরাপত্তি কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার জন্য বন্ধ শিল্প কলকারখানা চালু করার পরিকল্পনা করছে। এই প্রকল্পগুলি দ্বারা আমরা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবো।
এখন পর্যন্ত গোপালগঞ্জে প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল এমন ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন হয়নি। তার মতে, এ
