শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের কাছে প্রস্তাব জানান ব্যবসায়ীরা
শ ল প ব চ ত গভর – পরিস্থিতি জটিলতার মুখে পড়ার কারণে দেশের উৎপাদন খাত বৃদ্ধিমান সংকটে পড়েছে বলে জানান বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা। তাঁদের অভিযোগ, উচ্চ সুদহার, গ্যাসসংকট, ডলারের চাপ এবং কমে যাওয়া বাজার চাহিদার কারণে এ খাত বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে। এতে উৎপাদন খাতে মূলধনের কমতি হয়েছে এবং সংকট আরও গুরুতর হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব
গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সাথে বৈঠকে ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব দেন শিল্প খাতের চালু রাখার জন্য। তাঁদের মুখ্য দাবি হলো কার্যকর মূলধন সহায়তা, সুদহার কমানো, পেনাল ইন্টারেস্ট হ্রাস ও বিদেশি রিফাইন্যান্সিং সুবিধা বাড়ানো। আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, কভিড-পরবর্তী সময় থেকে শিল্প খাত একটি সংকট অতিক্রম করেছে যার কারণে অর্থনীতি শক্তিশালী করা জরুরি।
“বর্তমান সরকারও মনে করে শিল্প খাত টিকিয়ে রাখতে হবে অর্থনীতি শক্তিশালী করার জন্য। এ জায়গায় আমরা কিছু প্রস্তাব দিয়েছি যাতে বিদ্যমান কারখানাগুলো সচল রাখা এবং শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।”
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিআইসি সভাপতি মীর নাসির হোসাইন, জসীম উদ্দীন, বিসিআইয়ের সহসভাপতি প্রীতি চক্রবর্তী প্রমুখ। তাঁদের দাবি, সুদহার কমানো এবং ঋণের পরিশোধের জন্য সহায়তা প্রদান করা হলে শিল্পখাত উন্নয়নে সহায়তা পাবে।
ব্যবসায়ীদের পক্ষে এলসি সীমা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাঁরা জানান, এলসি সীমা অতিক্রম করেছে কিছু কারখানার ব্যাবসা সহজ হবে। বিদেশি তহবিল বাড়ানো এবং রিফাইন্যান্সিং সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানান হয়েছে।
“ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যয় ৮ থেকে ১০ শতাংশের বেশি নয়। এর পরও অতিরিক্ত স্প্রেড যোগ করে ঋণের সুদ ১৪-১৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সরকার চাইলে এই স্প্রেড কমিয়ে শিল্পখাতকে স্বস্তি দিতে পারে।”
গভর্নর বলেন, সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে শুনেছেন। ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল, বিদেশি রিফাইন্যান্সিং ও পেনাল ইন্টারেস্ট সহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ চলছে। খুব শিগগিরই কিছু সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলেও আশ্বাস দেন গভর্নর।
অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গ্যাসসংকট, গ্�
