বাংলাদেশ নারী জাতীয় দল শোকে শক্তিতে পরিণত করছে ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে
শ কক শক ত ত পর ণত – সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ নারী জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়া। আগামী দুই ম্যাচে জয় অর্জন করলে ইতিহাসে স্থান পেতে পারে বাংলাদেশ দল। সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে খেলার আগে দুই দেশের মেয়েদের মধ্যে বিস্ময় জেগেছে সেমিফাইনাল পার হওয়া নিয়ে। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ও নেপাল পূর্বে দুই আসরে ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল। এবার তার ব্যতিক্রম ঘটেছে।
মাঠের অনুশীলন বাতিল হওয়ায় ম্যাচের আগে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ছড়াতে পারে না বলে মনে করেন কোচ পিটার বাটলার। তিনি বলেন, তারা আগেও নেপালের বিপক্ষে খেলেছে এবং অনূর্ধ্ব-২০ দলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। আমাদের নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হবে বলে মনে করেন কোচ।
তবে এই মুহূর্তে লাল-সবুজের ড্রেসিংরুমে আবেগ ও মানসিক অবস্থা বেশি আলোচনায়। বিপক্ষ নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশ মাঠে নামবে শুধু নয়, নিজেদের শোককে শক্তিতে পরিণত করার কঠিন মানসিক লড়াই নিয়েও। এই পরিস্থিতিতে ড্রেসিংরুমের মান-অভিমান ও সদস্যদের মধ্যে দূরত্ব আলোচনার মুখে পড়েছিল। শিউলি আজিমের মায়ের আকস্মিক মৃত্যু তা যেন দূরত্বের দেয়াল নিমেষেই মুছে দিয়েছে।
সাময়িক মতানৈক্যের সীমার পেরেছে দলের সংগঠন
অনুশীলন বাতিল হওয়ায় শোককে শক্তিতে পরিণত করে দল মাঠে নামার প্রত্যয় প্রকাশ করেছেন কোচ। তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ম্যাচে অনূর্ধ্ব-২০ দলের বিরুদ্ধে ক্ষমতা বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ দল। তবে শিউলির মায়ের মৃত্যুতে আবেগ প্রভাবে মাঠে নেমে ভালো পারফরম্যান্স দেওয়ার সামর্থ্য আছে বলে আশা করেন কোচ।
“আমরা যেন সবাই একটা পরিবার… একজনের দুঃখ যেন সবার দুঃখ হয়ে গেছে।”
তহুরা খাতুন ফেসবুকে এই বার্তা দিয়েছেন। দলের সবার মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরে কোচ বাটলার বলেন, “আজিম পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা ও প্রার্থনা পৌঁছে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। শিউলি দলের বেশ অভিজ্ঞ, সম্মানিত এবং সবার প্রিয় সদস্য।”
মাঠে অনুশীলন না হলেও সতীর্থের মায়ের মৃত্যু দেখ
