News

সাইকোপ্যাথের বলি শিশুরা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

শিশুদের সাইকোপ্যাথের বলি হচ্ছে স ইক প য থ র বল - সাইকোপ্যাথিক পারসোনালিটি ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে শিশুরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিকৃত যৌন লালসার

Desk News
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Barbara Hernandez - patrikajournal.com

শিশুদের সাইকোপ্যাথের বলি হচ্ছে

Patrikajournal.com – স ইক প য থ র বল – সাইকোপ্যাথিক পারসোনালিটি ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে শিশুরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিকৃত যৌন লালসার শিকার হচ্ছে। এই অপরাধীরা মানসিকভাবে অসুস্থ এবং মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের খুব বেশি সম্পৃক্ত করে থাকে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এই বছরের প্রথম চার মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৭৫ জন শিশু। তারমধ্যে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ফলে।

সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে ধর্ষণ করে এবং গলা কেটে হত্যা করা হয়। লাশ কয়েক টুকরা করে দেওয়া হয়। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গল থেকে গলা কাটা অবস্থায় এক শিশু উদ্ধার হয়। পরিচিত ব্যক্তি দ্বারা ধর্ষণ ও হত্যা পরবর্তী এ ধরনের অপরাধে এখন বেশি ক্ষেত্রে সম্মতি হচ্ছে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘যে ব্যক্তিরা নৃশংস হত্যাকাণ্ড করে তারা সাইকোপ্যাথিক পারসোনালিটি ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত। এদের বিশেষ ধরনের ব্যক্তিত্ব। তারা খুব ঠান্ডা মাথায় জঘন্য অপরাধ করে। এ কাজে তারা পৈশাচিক আনন্দ পায়। তা ব্যক্তিত্বের দূষণও বলতে পারি।’

বিকৃত যৌন নির্যাতনের পিছনে মাদক ও পর্নোগ্রাফি

বিচারহীনতার সংস্কৃতি বৃদ্ধি পেলে নির্মম অপরাধমূলক কার্যক্রমও বাড়ছে। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, ‘শিশুরা বিকৃত যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকলে তারা তার অপরাধী দ্বারা নিরাপদ নয়। শিশু বলে দিলে অপরাধীরা সে ঘটনা খুব ভয়ে হত্যা করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। পর্নোগ্রাফি ও মাদকের সংস্পর্শে এ ধরনের বিকৃত রুচি তৈরি হচ্ছে।’

বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘রামিসার হত্যাকারী তার স্ত্রী অনুযায়ী অনেক বেশি বিকৃত রুচি ছিল। এজন্য তিনি শিশুটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। এ অপরাধী আগেও অপরাধে জড়িয়ে ছিল। আগের অপরাধের শাস্তি না হওয়ায় তিনি আবার বড় কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন।’

পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কমে আসায় এ ধরনের অপরাধে বেশি জড়াচ্ছে ব্যক্তিদের সংখ্যা। তারা মাদকে ঝুঁকে বিকৃত যৌনতায় আসক্ত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, ‘এখন শিশু ধর্ষণের সঙ্গে ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। পর্নোগ্রাফিকে হাতের নাগালে বেশি মানুষ বিকৃত রুচি দেখা যাচ্ছে।’

মাদক ও পর্নোগ্রাফির প্রভাব

যখন একটি দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি চলতে থাকে, তখন মানসিক ভাবনার দুর্বৃত্তদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এই দুর্বৃত্তদের মনোবৃত্তি সিরিয়াল কিলারদের মতো। পরিচিত ব্যক্তিরা বেশি পরিমাণে বিকৃত যৌন নির্যাতনের কাজে লিপ্�

Leave a Comment