তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে মামলা
ধর্মতলার জনসভায় বক্তব্য কেন্দ্র করে অভিযোগ দায়ের হয়েছে
স ম প রদ য ক উত – পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এমনিতেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। তার দলের ভেতর ভাঙন শুরু হয়েছে এবং আগের দিকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এবার এই নতুন মামলার কারণ হলো তার একটি মন্তব্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি হওয়া।
‘আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি তখন এক সেকেন্ড লাগবে! একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, তখন ঘিরে ফেললে ১ সেকেন্ডে দেবে একদম ১২টা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান, তাহলে বিজেপির অপ্রচারে ভুল বুঝবেন না।’
রাজ্যের মানুষ ও বিরোধীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে যে মুখ্যমন্ত্রীর মতো সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির এমন বক্তব্য অনভিপ্রেত। এফআইআর দায়েরের মাধ্যমে তার বক্তব্যের প্রতি ধারায় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত করা হয়েছে যে তার বক্তব্যটি ‘বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক’ ছিল, যা সাধারণ মানুষকে অপরাধমূলক কাজে প্ররোচিত করতে পারে এবং রাজ্যের শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে। মামলার তিনটি ধারা হলো: ধারা ১৯৬(১) এর মধ্যে সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি বা সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা, ধারা ৩৫১(২) এর জন্য অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এবং ধারা ৩৫২ এর অধীনে ইচ্ছাকৃত অপমান বা প্ররোচনার অভিযোগ।
আগেও মমতার বিরুদ্ধে একটি মামলা রাখা হয়েছিল। গত ২ জুন ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে তার মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। ওই ঘটনার কারণে শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ দায়ের করেন। তার দাবি ছিল যে মামলার প্রতি একাধিক ধারা বিধিবিরোধী হতে পারে। ওই মামলায় দাঙ্গায় উসকানি, গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো ও জনসম্প্রীতি নষ্ট করার আশঙ্কা উঠেছিল।
তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠছে। দল ভেঙে যাওয়া এবং বিভিন্ন দিক থেকে মমতার কোণঠাসা হওয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার ১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময�
