সিগারেটের দাম বিষয়ে অসম্পূর্ণ নীতির কারণে রাজস্ব ক্ষতির সম্ভাবনা
স গ র ট ৪ হ জ – বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) দাবি করেছে যে সিগারেটের মূল্য বৈষম্যের কারণে সরকার প্রায় ৪ হাজার ৬২ কোটি টাকার রাজস্ব হারাতে পারে। এ তথ্যটি জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়, যেখানে সরকার প্রসঙ্গে নীতি সংস্কার নিয়ে আলোচনা করা হয়।
দামের তফাতে রাজস্ব ক্ষতির সামনে চিন্তা উঠেছে
পিপিআরসির হিসাব অনুযায়ী, নিম্ন স্তরের ১০ শলাকার সিগারেট প্যাকেটের মূল্য সরকার নির্ধারণ করেছে ৬২ টাকা, কিন্তু খুচরা বাজারে সেটি ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যম স্তরের সিগারেটের ক্ষেত্রেও ভোক্তাদের নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি শলাকায় ৮০ পয়সা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এ অসম্পূর্ণতা থেকে সরকারের প্রাপ্তি বৃদ্ধির দিকে ক্ষতি ঘটছে বলে উল্লেখ করা হয়।
সভাপতি হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিবেচনা না করে কাগুজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে সরকার রাজস্ব ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে। দাম বৈষম্যের চক্র থেকে রাজস্ব হারানো প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক।
সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিম্ন স্তরের সিগারেটের প্যাকেটের দাম ৭০ টাকার পরিবর্তে সরকার নির্ধারণ করেছে ৬২ টাকা, যার প্রভাবে বাজারে বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। মধ্যম স্তরের সিগারেট নিয়েও সরকারের পৌঁছেছে দাম বৃদ্ধি ঘটনা। সেটি প্রতি শলাকার মূল্যে ৮০ পয়সা বেশি চার্জ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শাফিউন এন শিমুল ও এস এম আবদুল্লাহ। তাদের মতে সরকারের তামাক খাতে দৃষ্টিভঙ্গি সঠিক নয়। ই-সিগারেটের সংজ্ঞা দুর্বল করা হয়েছে এবং এগুলো �
