স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় ছোট ভাইকে হত্যা
স ত র র ঘ ম ব – গতকাল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গোয়ালগাঁও গ্রামে এক ঘটনায় ছোট ভাইকে হত্যা করে বড় ভাই গ্রেফতার হয়েছেন। নিহত ছোট ভাই ফয়সাল (৩৫ বছর) ও অভিযুক্ত মোরশেদ (৪০ বছর) মৃত রাজা মিয়ার ছেলে। ঘটনার প্রতিবেদন অনুযায়ী মোরশেদের স্ত্রী ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন এবং গতকাল সকালে ঘুমাতে যাওয়ার সময় তার পাশে শিশুরা অস্বস্তি সৃষ্টি করে। এ সময় মোরশেদ তার স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত হচ্ছে বলে বাগবিতণ্ডা শুরু করেন। তিনি বড় ভাই ফয়সালকে নিষেধ করেন এবং নিষেধ না মানার ফলে তার দা দিয়ে তাকে কোপ দেন। ঘটনার পর ফয়সাল মৃত্যুর ঘটনার বিরুদ্ধে মোরশেদকে গ্রেফতার করা হয়।
স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাতের পটভূমি
অভিযুক্ত মোরশেদের স্ত্রী গতকাল সকালে বাড়ি ফিরে ঘুমাতে যাওয়ার সময় ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় তার অস্বস্তি বৃদ্ধি পায়। তিনি এ ঘটনাকে একটি মূল্যবান ঘটনা হিসাবে বিবেচনা করেন এবং তার ভাইয়ের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মোরশেদ তার ভাইকে হত্যা করে কিন্তু ঘটনার বিস্তারে স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাতের প্রভাব স্পষ্ট। এই ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম।
বড় ভাই ফয়সাল এবং ছোট ভাই মোরশেদের মধ্যে তীব্র বিরোধ ছিল এবং স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটানো হয়েছিল যেহেতু বাড়িতে শিশুদের সাথে আলোচনা বাড়ানো হয়। ফয়সাল ছোট ভাইয়ের উপর নিষেধ প্রকাশ করেন যে তিনি অপরাধ করছেন। এ সময় মোরশেদ বাগবিতণ্ডা শুরু করে এবং তার ক্ষোভ স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার ফলে স্পষ্ট। পুলিশ ঘটনার পর তদন্ত চালায় এবং মোরশেদকে গ্রেফতার করেন।
গজারি বনে গলা কাটা ঘটনা
অন্য ঘটনায় গতকাল শ্রীপুরে গজারি বনের পাশ থেকে আসিফ হোসেন (২১ বছর) নামে এক অটোচালকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার সাথে স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাতের ক্ষেত্রে তুলনা করা যেতে পারে যেহেতু পরিবারের অভ্যস্ত ঝগଡ়া ঘটে। কিন্তু গজারি বনে ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তকারীদের বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
পুলিশ ঘটনার বিস্তারে স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় বড় ভাই হত্যা করার ঘটনা যে বিস্মিত করে তার প্রমাণ পেয়েছে। এখন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম জানান যে ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটানো হয়েছিল যেহেতু সে নিষেধ করা হয়েছিল না এবং তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটানোর সম্ভাবনা অনেক সময় পরিবারের ভেতরে অপরাধের সূচনা হয়। যেহেতু মোরশেদ স্ত্রী নিষেধ করে তার বিরুদ্ধে আচরণ করেন, তাই এই ঘটনাকে পরিবারের পরস্পর সম্পর্কের ভাঙ্গন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্ত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটানো দ্বারা অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে।
