স্বর্ণের দাম নতুন স্তরে পৌঁছেছে
স বর ণ র দ ম ভর – স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি কমে গেছে প্রায় ৫৪৮২ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায় যে স্বর্ণের দাম হ্রাস ঘটেছে বিশ্ব বাজারের চাহিদা ও প্রদানের হারের কারণে। নতুন দাম বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর কার্যকর হয়েছে। এই পরিবর্তন স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের খরচ কমিয়ে দিয়েছে ব্যবহারকারীদের জন্য সুবিধা সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ বাজারে স্বর্ণের দাম পরিবর্তন
বাজুস নির্ধারণ করেছে যে সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম গত দিনে প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা থেকে এখন দুই লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকায় নেমে এসেছে। এছাড়াও ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক লাখ ১৮ হাজার ৬৮৪ টাকায় হ্রাস পেয়েছে, যেখানে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম কমে এক লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকায় পৌঁছেছে। এই হ্রাসের কারণ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রার প্রকৃতি এবং সরবরাহ পরিবর্তন।
রূপার দাম স্তরে পরিবর্তন ঘটেছে
স্বর্ণের দাম নতুন স্তরে পৌঁছানোর পর রূপার দামও বিপর্যয় ঘটেছে। বাজারে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রূপার দাম এখন ৫ হাজার ২৪৯ টাকা। ২১ ক্যারেট রূপার দাম ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা হয়েছে, যেখানে ১৮ ক্যারেট রূপার দাম এখন ৪ হাজার ২৫৭ টাকা। সনাতন পদ্ধতির রূপা হলো ৩ হাজার ২০৮ টাকা। এই হ্রাস দেশের গৃহ প্রকল্প ও সরকারি আয়ের প্রভাব বিবেচনার মধ্যে ঘটেছে।
মাঠে ময়দানে স্বর্ণের খরচ কমেছে প্রতি ভরি প্রায় ৫৪৮২ টাকা। এই পরিবর্তনের ফলে বাজারে খালি হয়েছে স্বর্ণের প্রাকৃতিক প্রভাব। স্বর্ণ খরচ কমে ব্যবহারকারীদের জন্য অর্থনীতির উন্নতির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্বর্ণের দাম কমে গেলে স্থানীয় বাজারে কোনো গুরুতর গোলযোখ নেই। কিন্তু এই হ্রাসের পিছনে আন্তর্জাতিক চাহিদার ব্যাপক কমতে পড়া বা সরবরাহ বৃদ্ধির প্রভাব রয়েছে। গত দিনে স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা থেকে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকায় কমে গেছে। এই পরিবর্তন নীতিগুলো দ্বারা স্বর্ণের ব্যবহার প্রায় সবাই দ্বারা স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া ঘটেছে।
দাম কমে স্বর্ণ ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া
এই হ্রাস স্বর্ণ ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যাপক সুবিধা প্রদান করেছে। বাজারে স্বর্ণের খরচ কমে গেলে প্রতিটি স্বর্ণ বাজারে প্রবেশ করা সহজ
