স্বামীকে হত্যার পর ফ্রিজে লুকাতে গিয়ে স্ত্রী আটক
স ব ম ক হত য র – স্বামীকে হত্যার পর বাড়ির ফ্রিজে লুকাতে গিয়ে স্ত্রী আটক হয়েছেন শরীয়তপুর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায়। মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঘটে গেছে একটি ভয়াবহ হাতাহাতি, যার পরিণতি হিসেবে স্বামী জিয়া সরদার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হত্যাকাণ্ড গোপন করার উদ্দেশ্যে আসমা আক্তার তার স্বামীর দেহ খণ্ডিত করে দুর্গম স্থানে রাখেন। এই ঘটনার প্রতিবেদন করার পর পুলিশ তদন্তে বিপুল আগ্রহ দেখায়।
হত্যার প্রক্রিয়া ও স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া
মঙ্গলবার রাতে চন্দ্রপুর এলাকায় এই হাতাহাতিতে আসমা আক্তার লোহার টুকরা দিয়ে জিয়া সরদারের মাথায় আঘাত করেন। পরবর্তীতে তিনি দেহ খণ্ডিত করে একটি বস্তায় ভরে নড়িয়া উপজেলার নদীর পাড়ে ফেলে দেন। কিছুক্ষণ পর মাথাসহ শরীরের অন্যান্য অংশ সদর উপজেলার আটং বৃক্ষতলা এলাকার পুকুরে রাখেন। শেষে দেহের মাংস আলাদা বস্তায় ভরে পালং উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন বাড়ির ফ্রিজে রাখার চেষ্টা করেন। স্বামীকে হত্যা করার পর স্ত্রী আটক হওয়ার ঘটনা সামাজিক চৌক্ষেতে বিশেষ আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
পুলিশের তদন্ত ও আটক প্রক্রিয়া
শরীয়তপুর উপজেলার ঘটনার পর পৌর শহরের পালং উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় আসমা আক্তারকে আটক করা হয়। তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে যে আসমা হত্যার ঘটনা পারিবারিক কলহের পরিণতি হিসেবে ঘটেছে। তিনি স্বামীকে হত্যার পর দেহ বিভক্ত করে গোপনে সংরক্ষণ করেন। পরে বাড়ির লোকজন সন্দেহ হলে ৯৯৯ নাম্বারে কল করে খবর পৌঁছান। পুলিশ হত্যার কথা স্বীকার করেছেন আসমা আক্তার। এই বিষয়ে নিয
