হরমুজে ৩ মাস আটকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’; ক্লান্তি ও উৎকণ্ঠায় নাবিকদের বন্দী জীবন
হরম জ ৩ ম স আটক ব – বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ গত কয়েক মাস ধরে হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে। জাহাজের ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম জানান, তারা কৌশলগত পথে আটকা পড়েছেন যেন একটি পুকুরের মধ্যে। জানা যায় না কবে যাওয়া সম্ভব।
যুদ্ধ হরমুজ প্রণালির সংকট তৈরি করেছে
গত ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হওয়া যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি আটকে রয়েছে ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলামসহ আরও ২০ হাজার বিদেশি নাবিক। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের পঞ্চম অংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। এখন সেটি সম্পূর্ণ অচল হয়ে গেছে।
‘বাইরের সবকিছু স্বাভাবিক দেখালেও ভেতরের মানুষগুলো যে কতটা অস্থির, তা সত্যিই অদ্ভুত।’ পাকিস্তানি নাবিক হাসান খান বলেন।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়ার পর থেকে তার কোন সুযোগ নেই। সাগরে আটকে থাকা জাহাজগুলো জুড়ে খাদ্য ও পানির সরবরাহ প্রায় সম্পূর্ণ অস্তিত্বহীন হয়ে গেছে। আইএমও-এর তথ্য অনুযায়ী হরমুজে আটকে রয়েছে প্রায় ১,৬০০টি জাহাজ। এতে সম্পূর্ণ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।
সাগরের আটকে থাকার সংকট
মে মাসে তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। জুনে তা ৪৫ ডিগ্রি পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। হামলা ঘটানো হামলা ঘটনা বাড়ছে। সামনে বন্দী জীবনে আরও জটিলতা দেখা দিবে।
‘যখন সারা রাত ধরে হামলা চলত, আমাদের কেউ ঘুমাতে পারতাম না। আমরা নিজের চোখে ভয়াবহতা এবং ধ্বংসলীলা দেখেছি।’ চিফ ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান বলেন।
পানির দাম সম্পূর্ণ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এর আগে প্রতি টন পানি দাম ছিল ১,৫০০ থেকে ২,০০০ ডলার, এখন তা কিনতে প্রায় ১১,০০০ ডলার খরচ হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ও এর ৩১ জন ক্রু এখন পারস্য উপসাগরে বন্দী জীবন কাটাচ্ছে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধি হওয়ার সাথে সাথে সাগরের নিচে মাইন ও আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র দেখা দিচ্ছে। নিয়মিত হামলার কারণে নাবিকদের মানসিক চাপ সব সময় মাথায় চেপে থাকে। প্রত্যেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত।
অপরিচিত আক্রমণের পেছনে তথ্য আছে
গত তিন মাসে দুবার জাহাজ যাওয়ার চেষ্টা করেছেন ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম। দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দরে কয়েক দিন আগে জাহাজটি মাত্র ২০০ মিটার দূরে অবস্থান করছিল। তখন বন্দরটিতে ইরানি ক্ষেপণ
