নির্বাচনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই বলে অভিযোগ
২০১৪ থ ক সব ন র ব – জি এম কাদের দাবি অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে এ পর্যন্ত দেশে যে কোনো নির্বাচন পূর্ব থেকে পরিকল্পিত হয়েছে। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবে তাঁর দুটি বইয়ের প্রকাশনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে এ অভিযোগ জন্ম দেন। তাঁর দাবি, সর্বশেষ নির্বাচনে ভোট বুথ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে একটি ক্ষুদ্র সংখ্যক কেন্দ্র খালি ছিল।
২০২৪ সালের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ছিল এবং ভোট বুথ ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার। অথচ ২০২৬ সালে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে ১২ কোটি ৭৭ লাখ হলেও ভোট বুথ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫৯টি। প্রতি বুথে প্রায় ৩১০টি ভোট পড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমার এ সত্য কথা ও গাণিতিক হিসাব দেশের কোনো পত্রিকা ছাপতে সাহস পায়নি। তাই বাধ্য হয়ে আমি এগুলো ভারত ও ইউরোপের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছাপিয়েছি।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমিশন ঘোষিত ভোট হার কমে আসার পর প্রায় ৫৯.৪৪ শতাংশ ভোট পড়ার দাবি তিনি অসম্ভব বলে ক্ষুদ্র হিসাবে দেখিয়েছেন। প্রতি ভোটারের জন্য মাত্র ১০৪ সেকেন্ড সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ নির্বাচনে বেশির ভাগ কেন্দ্রগুলো অর্ধেকের বেশি সময় খালি ছিল। প্রকৃত ভোট প্রায় ১২ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি হয়নি। বাকি সাড়ে ৫ কোটি ভোট নির্বাচনের ফল নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন প্রার্থীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে বর্তমানে দেশে কোনো গণমাধ্যম স্বাধীনতা প্রকাশ করছে না। মিডিয়া কার্যক্রম সাজানো হয়েছে।
১ সেকেন্ড আগে | জাতীয় ১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি ৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড ৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ ৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন ৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ ৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ ৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি ৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন ১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ১৯ ঘণ্টা আগে | �
