২৪ ঘণ্টায় সড়কে ঝরল ১৯ প্রাণ, ১১ জনই মোটরসাইকেলের আরোহী
২৪ ঘণ ট য় সড়ক ঝরল ১৯ – ঈদের আনন্দমুখর আবহে দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়ক দুর্ঘটনার কারণে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কেউ পরিবারের সঙ্গে ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন, কেউ নামাজের পর বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়েছিলেন, কেউবা আবার বাসে ঢাকায় ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার মধ্যে অন্তত ১১ জন মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন।
গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন গোপালগঞ্জে পাঁচজন, ফরিদপুরে তিনজন, দিনাজপুর, নরসিংদী, গাইবান্ধা ও পটুয়াখালীতে দুইজন করে। কুষ্টিয়া, মাদারীপুর ও নড়াইলে একজন করে মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু এবং দুই কিশোর রয়েছেন।
গোপালগঞ্জে পাঁচজন নিহত: বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় মোটরসাইকেলটি বাঁচাতে গিয়ে দোলা পরিবহনের বাস উল্টে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী এবং বাসের তিনজন যাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিচয় জানা গেছে তিনজনের। তারা হলেন— বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া গ্রামের সমেশ ঢালীর ছেলে শয়ন ঢালী (২০), পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে মোসা. খাদিজা খাতুন (৩৫) এবং একই এলাকার আবু হানিফের ছেলে মো. সোহাগ (৩৭)। শিশুসহ আরও দুইজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা অনুসারে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পিরোজপুরগামী বাস বেদগ্রাম এলাকায় পৌঁছার পর বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে উল্টে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের দুই আরোহী এবং বাসের আরও তিনজন যাত্রী মৃত্যুর পরিচয় দেন।
ফরিদপুরে নরসিংদী, পটুয়াখালী, নড়াইল ও কুষ্টিয়ায় নয়জন নিহত হয়েছেন। তারা সবাই মোটরসাইকেলের চালক কিংবা যাত্রী ছিলেন। পটুয়াখালীতে ঈদ নামাজ শেষে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়ে দুই কিশোর নিহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গ্রামীণ ব্যাংক এলাকায়।
স্থানীয় লোকজনের মতে, সকালে ঈদ নামাজের পর ফয়সাল ও তামিম মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়। বেলা ১১টার দিকে গ্রামীণ ব্যাংক এলাকায় অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তারা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে ছিটকে পড়ে। আহতদের গলা�
