পাইলটের আত্মহত্যা বিমান বিধ্বস্ত করে বেইজিংয়ের ভবনে
আত্মহত্যার ইচ্ছা ছিল পাইলটের অ্যাকাউন্টে
আত মহত য র ইচ ছ ছ – বৃহস্পতিবার চীনের কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেন যে বিমান আঘাত হানার ঘটনা ঘটেছিল বেইজিংয়ের সিটিক টাওয়ার বিমানবন্দরে। ঘটনাটি ঘটেছিল গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই আসনের সানওয়ার্ড এসএ ৬০এল অরোরা বিমানের সাথে সম্পর্কিত। ঘটনার পর সরাসরি প্রতিক্রিয়া কমে গেছে, কিন্তু আত্মহত্যার ইচ্ছা ছিল পাইলটের সামনে উঠে এসেছিল। বিমানটি কর্মকর্তা এবং সাধারণ আহতদের মধ্যে পাইলট এবং ১৩ জন বিমানবাহিনী সদস্যকে আহত করেছিল। এর মধ্যে একজন আহতকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল।
সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটি প্রথম কর্মকর্তা সঙ্গীকে নিয়ে বেইজিংয়ের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে উড়েছিল। পরে পাইলট নিজে বিমানটি চালিয়ে নির্ধারিত পথ থেকে সরে যান। বিমানবন্দরে নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশের পর ঘটনার প্রকৃতি স্পষ্ট হয়ে আসে। পাইলটের আত্মহত্যার ইচ্ছা প্রতিক্রিয়া হারিয়েছে এবং ঘটনার পরে সরাসরি বিবরণ প্রকাশের অপেক্ষায় ছিল।
বিমান আঘাত হানার প্রকৃতি বিশ্লেষণ
আত্মহত্যার ইচ্ছা ছিল পাইলটের ঘটনার প্রতিক্রিয়া হারানোর পর বিমানবন্দরের স্থাপনা বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ শুরু হয়। সিটিক টাওয়ারে বিমান আঘাত হানার সময় তৈরি হওয়া দুর্ঘটনার পর কর্মকর্তাদের তদন্বন চালু করা হয়। বিমানটি নির্দিষ্ট স্থানে আঘাত হানার পর আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলে সূত্রে জানা গেছে। সিটিক টাওয়ার বিমানবন্দর বাংলাদেশের পরিবহন ব্যবস্থার ক্ষমতা নিয়ে প্রশংসা করেছিল কিন্তু এই ঘটনা আরও কিছু তথ্য প্রকাশের পর দুর্ঘটনার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
বিমানটি প্রথম কর্মকর্তা সঙ্গীকে নিয়ে বেইজিংয়ে গমন করেছিল। আত্মহত্যার ইচ্ছা ছিল পাইলটের জন্য সে বিমানটিকে পূর্বাভিমুখে পরিচালনা করেছিল। ঘটনার পর কর্মকর্তারা জানান যে বিমানটি প্রকৃতপক্ষে আকাশচুম্বী ভবনে আঘাত হানার পর চালানো হয়েছিল। তদন্বনের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানার জন্য আহতদের সাথে প্রতিক্রিয়া চালু করা হয়েছ
