গাজার মুসলিমরা হজে যেতে পারছেন না তিন বছর ধরে
ট ন ত ন বছর হজ য – পবিত্র হজ পালনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন গাজার হাজারো মুসলিম। সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে জানা গেছে যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি ও সীমান্ত বন্ধ থাকার কারণে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলা ও অবরোধের কারণে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গাজার হজযাত্রীদের মধ্যে এ বছর সৌদি আরবে যেতে পারেনি বলে জানা গেছে।
হজে জন্ম নেয়া বাম্পে মৃত্যু হয়েছে
এ বছর গাজার হজযাত্রীদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৭১ জন মানুষ মারা গেছে। তারা ইসরায়েলি হামলা বা স্বাভাবিক কারণে মৃত্যু বরণ করেছেন।
গাজার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ও ওমরাহ বিভাগের মহাপরিচালক রামি আবু জানান, ফিলিস্তিনের জন্য বরাদ্দ ৬ হাজার ৬০০ হজ কোটা থাকত। এর প্রায় ৩৮ শতাংশ গাজার মুসলিমদের জন্য নির্ধারিত হত। কিন্তু গত তিন বছর ধরে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গাজাবাসীরা হজে যেতে পারছেন না।
২০১৩ সাল থেকে লটারিতে নির্বাচিত ২ হাজার ৪৭৩ জন গাজাবাসী এখনো হজ পালনের অপেক্ষায় আছেন। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এক নারী হাজ্জাজ বলেন, তার স্বামী নিহত হয়েছেন, ভাই নিখোঁজ হয়েছেন এবং বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। তিনি হজের জন্য জমানো সব অর্থ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে গেছে। সন্তানদের নিয়ে প্রাণে বাঁচলেও জীবনের প্রায় সবকিছু হারিয়েছেন তিনি।
রাফা সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার পর থেকে গাজাবাসীদের বাইরের বিশ্বের সাথে যোগাযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। আগে গাজার হজযাত্রীরা রাফা সীমান্ত দিয়ে মিশরে প্রবেশ করতেন। কায়রো থেকে সৌদি আরবে যাওয়া সহজ হত।
হাজ্জাজ বলেন, তার স্বামী সহ দুই ভাই ও ভাবিকে নিয়ে হজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইসরায়েলি হামলার পর পরিবারের সব সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানান, হজে যেতে না পারা শুধুমাত্র ভ্রমণসংক্রান্ত সংকট নয়। এটি যুদ্ধ ও অবরোধে বিপর্যস্ত মানুষের দীর্ঘস্থায়ী বেদনা ও অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ১৭ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার ১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৩ ঘণ্টা আগে | নগর
