ডিএনডি লেক বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় প্রাণহানির সৃষ্টি করছে মৃত্যুফাঁদের মতো
ড এনড ল ক য ন ম – এলাকার স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ জাগিয়েছে যখন ডিএনডি লেক এখন পর্যন্ত আরও কয়েকটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সামনে আসা ঘটনার পর সামগ্রিক আলোচনার তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
পুলিশ তিন বছরের মধ্যে লেকে গোসলের জন্য নেমে যাওয়া মানুষদের শেষ অবস্থা খুঁজে পেয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে অনেক মানুষ নিখোঁজ হয়ে গেছে। দুই শিক্ষার্থী মনির ও শুভের লাশ গত শুক্রবার পুলিশ দ্বারা উদ্ধার করা হয়। সেই মাসের আগে পাঁচ বন্ধু লেকে গোসল করতে নামে। তিন জন ফিরে আসে, অপর দুই নিখোঁজ হয়ে যায়।
২০২৫ সালে কয়েকটি মৃত্যু ঘটেছে যার মধ্যে সাইফুল ইসলাম আলিফ (৭) এক শিশু লেকে গোসলের সময় পানিতে ডুবে মারা যায়। তার লাশ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের দ্বারা কয়েক ঘণ্টার খোঁজাখুঁজি শেষে উদ্ধার করা হয়। দুই দিন পর মো. নয়নের (২০) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সেই বছরের মে মাসে কিসমত মার্কেট এলাকায় অজ্ঞাত নারীর লাশ পাওয়া যায়।
“ডিএনডি লেকের অনেক স্থানে গভীরতা হঠাৎ বেড়ে যায়। বাইরে থেকে স্বাভাবিক মনে হলেও নিচে কাদা ও গভীর খাদ থাকায় যে কেউ নেমে ঝুঁকিতে পড়তে পারে। শিশু-কিশোরদের গোসলের জন্য একা দেওয়া যাবে না।”
আরিফ (২৮) নামে এক যুবকের লাশ গত বছরের আগস্টে উদ্ধার করা হয়। মহসিনের (৩৯) মৃতদেহ নিখোঁজ হওয়ার পর লেকে ফিরে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা রহিমা বেগম বলেন, গরমের সময় অনেক শিশু ও তরুণ লেকে গোসলের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে। তাদের পানির গভীরতার সম্পর্কে কোনো ধারণা থাকে না।
“লেকের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করা দরকার। পরিবার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সচেতনতা বাড়ানো আবশ্যক।”
অভিভাবকদের নজরদারি বাড়ানো জরুরি বলে মন্তব্য করেন আদমজী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মিরন মিয়া। তিনি জানান, নিরাপত্তার জন্য কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অনেক স্থানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড নেই।
আরও বছর হলে বিপদের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করছে তারা। বর্তমানে লেকে বারবার প্রাণহানি ঘটছে কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাও অত্যন্ত আবশ্যক বলে তারা মনে করছেন।
১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১
