ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষ হিসেবে হজ করেছেন মারসিয়াহ
সবচ য় ব শ বয়স ম ন – ২০২৬ সালে ইন্দোনেশিয়ার হাজিরদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষ হিসেবে হজ করেন বৃদ্ধা মারসিয়াহ। পূর্ব জাভার কেদিরি এলাকার নাগরিক এই নতুন সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত হন। হাজির সংখ্যা ছিল ২২১,০০০ জন এবং তিনি সেই সংখ্যার মধ্যে সবার প্রথম হজের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন। এই পরিচয় ইন্দোনেশিয়ার মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রস্তুতির প্রক্রিয়া এবং বৃদ্ধার সাহায্য
তিনি অত্যন্ত ধীরে ধীরে চার বছর ধরে টাকা জমা করেছেন। একটি সুরাবায়া গ্রুপের সদস্য হিসেবে তিনি সমগ্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন। সঞ্চয়ের সময় তার ছেলে পরিবারের সমর্থন করেছিলেন। সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষ হিসেবে হজের কথা জানার পর তিনি সম্পূর্ণ পরিকল্পনা পূরণ করতে সক্ষম হন।
“আমি কাউকে বলিনি যে আমি হজের জন্য টাকা জমাচ্ছি। কোনও সময় পরিবারের অন্যদের বিষয়টি জানতেন না। তবে সঞ্চয় যথেষ্ট হওয়ার পর তিনি মানুষদের খবর দেন।”
১৯২১ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণকারী মারসিয়াহ এখনও লাঠির সাহায্যে হাঁটতে পারেন। হজের সময় তিনি হুইলচেয়ার ব্যবহার করেন। সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষ হিসেবে হজ পালনের সময় তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে তার সমস্ত প্রক্রিয়া কৃতকার্য হয়েছে।
গত ২২ মে সকালে তিনি তার ৬৭ বছর বয়সী মেয়ে মুইদাহকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় পৌঁছান। ইন্দোনেশিয়ার ১১২তম সুরাবায়া এমবারকেশন গ্রুপের প্রধান আবিসওয়াতুন নাধিরোহ হজের দ্বিতীয় দিনে জানিয়েছিলেন যে মারসিয়াহ সুস্থ আছেন এবং সমস্ত কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তিনি সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষ হিসেবে হজ করেছেন এবং এটি একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
আরও অনেক কথা বলেছেন মারসিয়াহ। তিনি বলেছেন যে হজ করা তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাধনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত পরিশ্রমপূর্ণ ছিল কিন্তু তিনি এতে সক্ষম হন। মানুষদের মনোনিবেশ তার প্রতি প্রতিদিনের পরিশ্রম বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষ হিসেবে হজ পালনের বিষয়ে স্পষ্ট হয়েছে।
মারসিয়াহ এই সফরে তার বয়সের সাথে বৃদ্ধার বৈশিষ্ট্য বিশেষ করে প্রকাশ করেছেন। হজের সময় তিনি বিশেষ করে মানুষদের সমান ভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষ হিসেবে হজ করা তার জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
