তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয়
হাদিসের মাধ্যমে শিক্ষা ও বিধান
ত ওব ম ন ষক পরক ল – আল্লাহর নবী (সা.) একটি ঘটনা বর্ণনা করেন, যেখানে দুই নারী একটি ঘরে সেলাই করছিলেন। একটি নারী তার হাতের তালুতে সুই বিদ্ধ হয়ে পড়েছিল এবং অপর নারীকে সুই ফুটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছিল। এ বিষয়টি ইবনু আব্বাস (রা.)-এর কাছে প্রেরণ করা হয়েছিল এবং তিনি বলেন, আল্লাহর নবী (সা.) জানান যে মানুষের দাবি শুধু অভিযোগের উপর ভিত্তি করে পূরণ করা হলে তাদের জান ও মালের নিরাপত্তি থাকবে না। সুতরাং বিবাদীদের প্রতি আল্লাহর নামে শপথ করার প্রণোদনা ও আয়াত (আলে ইমরানের ৭৭ নম্বর আয়াত) তার সম্মুখে পাঠ করা আবশ্যক।
“যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে পরকালে তাদের কোনো অংশ নেই। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে চাইবেন এবং তাদের পরিশুদ্ধ করবেন না; তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রয়েছে।” (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৭৭)
প্রাজ্ঞ আলেমদের সাজেশন
উল্লেখিত হাদিসের ভিত্তিতে আলেমদের নীতিগুলি বর্ণনা করা হয়েছে যেমন:
- সুন্নতের নির্দেশ অনুসারে ব্যক্তির অধিকার রক্ষা করা আবশ্যক।
- অভিযোগ প্রমাণের জন্য কেবল অন্যায় দাবি যথেষ্ট নয়; সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে তা প্রমাণিত হতে হবে।
- প্রমাণ অনুসন্ধান পূরণ করার পর বিচারক রায় দিতে হবে। অভিযোগ শুনে মাত্র সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
- বিচার ও সালিসের জন্য প্রাজ্ঞ ব্যক্তির বেছে নেওয়া আবশ্যক। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর নির্বাচনের প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
- এ হাদিস বোঝায় নারীদ্বয় সম্পূর্ণ পৃথক জায়গায় কাজ করছিল। সুতরাং ইসলামী সমাজে নারী ও পুরুষের কর্মক্ষেত্র পৃথক হতে পারে।
- নারীর কর্মস্থলে পুরুষের মিশ্রণ না থাকলে তারা কাজ করতে পারে।
- শুধু পার্থিব শাস্তির ভয় নয়, বরং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আল্লাহভীতি জাগিয়ে তোলা আবশ্যক।
- শরিয়তে শপথ দাবি প্রমাণের একটি মাধ্যম। শপথকারী মিথ্যাবাদী হতে পারে না।
- মিথ্যা শপথের প্রতিবিধান হলো তাওবা ও কাফফারা প্রদান করা।
- তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয়। গুনাহের পর তাওবা না করলে শাস্তি ভোগ করতে হবে।
মাঠে ময়দানে ৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান ১০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি ৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস ৫ ঘণ
