News

শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ শ ক ষ খ ত সরক র - বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী

Desk News
Published June 11, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ

শ ক ষ খ ত সরক র – বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করে সর্বমোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি। এ বরাদ্দ বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা বা জিডিপির ১.৩৯ শতাংশের চেয়ে বেশি হবে।

তিনি জানান, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময়ে ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামোর সবচেয়ে সংকটাপন্ন খাতগুলোর একটি ছিল শিক্ষা। তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আজ আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ফিরে এসেছি, সেখানে অবশ্যই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা সৎ, যোগ্য, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা কারিকুলামকে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করছেন, যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি ও মানবিক চরিত্রের বিকাশ ঘটে। অর্থমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য এমন পরিবেশ করতে চাই, যেখানে তারা আধুনিক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে নিজেদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা বিকশিত করতে পারে।

নূন্যতম সরকারি বিনিয়োগের লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস বা আনন্দময় শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাই। সেই কাঠামো গড়ে তুলতে চাই, যেখানে একজন শিক্ষার্থী তার নিজ মেধা, পছন্দ বা আগ্রহ অনুযায়ী দক্ষ কারিগর, প্রযুক্তিবিদ, কৃষি উদ্যোক্তা, গবেষক, শিল্পী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, ক্রীড়াবিদ কিংবা অন্য যেকোনো পেশায় সমান মর্যাদা ও সাফল্যের সঙ্গে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে ক্লাবভিত্তিক সহশিক্ষা কার্যক্রম যেমন– বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সাহিত্যচর্চাকে উৎসাহিত করা হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে একটি দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পর্যায়ক্রমে সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা চালু করা হবে।

Leave a Comment