বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে গড়া ম্যাচগুলোর মধ্যে একটি হল নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা
ন দ রল য ন ডস মরক – নেদারল্যান্ডস ও মরক্কো দলদ্বয়ের মধ্যে দুই দিন ব্যাপী তীব্র প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত ম্যাচটি খুব বেশি অপেক্ষাকৃত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দল এই ম্যাচে সম্পূর্ণ সময় নিখুঁত সেভ করে নিশ্চিত পয়েন্ট তৈরি করেছিল, যেখানে মরক্কো আক্রমণের সুযোগ নষ্ট করেছিল। ম্যাচটি প্রায় সমতা নিয়ে শেষ হয়েছিল, কিন্তু এতে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কো দুই দলের দ্বারা নির্মিত প্রতিযোগিতা ছিল অপরিসীম।
ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নেদারল্যান্ডস সীমিত প্রতিরোধের সাফল্য
৯০ মিনিটের ম্যাচ শেষে দুই দলই ১-১ সমতায় ছিল। অতিরিক্ত সময় চালু হওয়ার পর নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দলের ক্ষমতা পরীক্ষার জন্য আবার এগিয়ে চলে। মরক্কো দলের আক্রমণ বৃদ্ধি পেলেও নেদারল্যান্ডস তাদের রক্ষণ বাঁধা দিয়ে সময় নিয়ন্ত্রণ করেছিল। এ পর্যন্ত ম্যাচটি সম্পূর্ণ সময় নিখুঁত সেভ এবং বাঁধা খেলার বিষয়টি অবহেলা করেনি।
মরক্কোর সুফিয়ান রাহিমি গোলমুখে পৌঁছে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু নেদারল্যান্ডস গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন অসাধারণ দক্ষতায় হাত ও পা দিয়ে বল ঠেকে দেন। এই পঞ্চম সেভটি নেদারল্যান্ডস দলকে শেষ মুহূর্তে মুক্তি দেয়। মরক্কো ক্রিকেটারদের সব চেষ্টা ডাচদের দ্বারা বাঁধা খেলে পুরো ম্যাচে গোল করার সুযোগ ছিল না বলে মনে হয়।
অতিরিক্ত সময় চালু হওয়ার পর নেদারল্যান্ডস দল আবার প্রতিশোধ চেয়ে আক্রমণ করেছে। পার্শ্ব হতে ভাউট ভেগহর্স্ট মরক্কো দলের দীর্ঘ সময়ের বল দখল ভাঙতে সমর্থন করেছিলেন, কিন্তু হাত দিয়ে বল স্পর্শ করার কারণে খেলা প্রায় কোনও কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেনি। বল পুনরায় মরক্কো দলের হাতে আসলে গোলের সুযোগ ছিল বলে মনে হয়।
নেদারল্যান্ডসের রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের সুযোগ দুর্বলতা
পুরো ম্যাচে নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দলের রক্ষণ বাঁধার সাথে সাথে গোলরক্ষকের ক্ষমতা ছিল স্থায়ী। এই ক্ষমতা সত্ত্�
