ভুয়া ছবি প্রকাশ করে প্রচার সংখ্যা বাড়ায় প্রথম আলো
ভ য ছব প রক শ কর – সংবাদপত্রের প্রধান কর্তব্য হচ্ছে সত্য বর্ণনা করা। পাঠকদের সচেতন করা ও তাদের রুচির মানোন্নয়ন সেটির অংশ। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথম আলো নামে পরিচিত দৈনিক পত্রিকাটি বিভিন্ন ধরনের কাজ করে পাঠকদের ভোগ্য সংকেত দিয়ে আসছে। তার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে ‘যা কিছু ভালো, তার সাথে প্রথম আলো’ ‘ভালোর সাথে আলোর পথে’ এবং ‘বদলে যাও, বদলে দাও’ এমন বিভিন্ন স্লোগান।
ভুয়া ছবি ও সাজানো আচরণ
দূর্ভাগ্যজনকভাবে, এগুলো সাহায্যে পত্রিকার উদ্দেশ্যকে বিজ্ঞাপন করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রথম আলো’র বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবর্তন, সাজানো ও ভুয়া ছবি প্রকাশ সহ অভিযোগ উঠেছে। পত্রিকার স্তম্ভীয় কর্মকর্তা ও কনটেন্ট নির্মাতা সুদীপ্ত সালাম তাঁর বই ‘ফটোসাংবাদিকের জার্নাল: প্রথম আলোর অন্দরমহল’ মাধ্যমে পত্রিকাটির মিথ্যা ব্যবহার ও অন্ধকার ঘটনা তুলে ধরেছেন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৬ মে তিনি কমলাপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষার্থীদের জিপিএ-৫ পাওয়া ছবি তোলার দায়িত্ব পান। কিন্তু প্রথম আলো সাধারণত কমলাপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষার্থীদের ছবি প্রকাশ করে না।
সুদীপ্ত বিশ্বাস করতে পারছিলেন না যে স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনও প্রতিবেদক নয়, বরং বিজ্ঞাপন বিভাগের কর্মকর্তার সাথে এক ছবি তোলা হচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের সাথে দেখা করার পর তিনি জানতেন যে শিক্ষার্থীদের সাজানো ছবি প্রকাশ করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেদিন তিনি ছবিটি আপলোড করেন এবং ক্যাপশনেও প্রতারণার কথা উল্লেখ করেন।
“আমি খুব বেশি বুদ্ধিমান না হলেও সেদিন বুদ্ধি করে এক কাজ করেছিলাম।”
পরদিন প্রথম আলোতে ছবিটি প্রকাশিত হয়েছে নতুন ক্যাপশনসহ। সুদীপ্ত বলেছেন, “মুদ্রিত ছবি হলো গুলির মতো। ছবির সব কিংবা অধিকাংশ মানুষ তখনও জীবিত থাকার কথা। ছবিই সাক্ষী দিচ্ছে সব; না হলে হয়তো আমার কথা সবার কাছে বিশ্বাসযোগ্য করা কঠিন হতো।”
