মাদারীপুরে ম দ র প র ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ
ম দ র প র ৫ ক – মাদারীপুরে সংঘটিত ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্পের প্রাথমিক পর্বে ম দ র প র ৫ কোটি টাকার বিস্তার ঘটেছে। সকাল ১১টার দিকে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে একটি সম্মেলনে প্রতিদিনের বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুটি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের হাতে চেক বিতরণ করা হয়। এই ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য সর্বাধিক স্বচ্ছ ও পারদর্শী হতে চাইছে। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদের যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে যাতে অর্থ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি সম্পূর্ণভাবে সমন্বিত হয়।
ক্ষতিপূরণের মূল প্রকল্প বর্ণনা
মাদারীপুরে জমি অধিগ্রহণ কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে প্রধানত দুটি বিশিষ্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। প্রথম প্রকল্পটি হল পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, যেটি রাজমার্গ অপেক্ষাকৃত কম অবদান রেখেছে। দ্বিতীয় প্রকল্পে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি নামক প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত। এই দুটি প্রকল্পে মোট ২০ জন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য সর্বমোট ৫ কোটি ৮ লাখ ৫১ হাজার ৩৫৭ টাকা চেক তৈরি করা হয়। এগুলি ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের বেশি করে সামান্য অর্থ প্রদানের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য।
আরও গুরুতর অবদান রেখেছে মাদারীপুরে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ। এই ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের কাছে ম দ র প র ৫ কোটি টাকা আস্থা জনিয়েছে। বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রাজস্ব কার্যালয়ের নিগার সুলতানা এবং মাদারীপুরে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হাছনাত উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে উপস্থিত হন জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কানুনগো ও সার্ভেয়ারদের সহযোগিতা ছিল। ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া গুরুতর গুরুত্ব অর্থ বিতরণ এবং জমি অধিগ্রহণের প্রতিক্রিয়া দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে।
চেক বিতরণ প্রক্রিয়া
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে মাদারীপুরে ম দ র প র ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের জন্য সর্বমোট ২০ জন মালিকের চেক তৈরি করা হয়েছে। এগুলি প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে স্থানীয় কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক অব্যাহত প্রক্রিয়ার পর এই চেক বিতরণ গুরুতর সংস্কৃতি অর্থ বিতরণের বিষয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে সহায়তা করে।
বক্তাদের মতে মাদারীপুরে ম দ র প র ৫ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের বেশি �
