মারা গেছেন হলিউড তারকা অ্যান ব্লিথ
ম র গ ছ ন হল উড – হলিউডের এক অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যান ব্লিথ বুধবার তার প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি ৯৮ বছর বয়সে গত সপ্তাহে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। বিশ্ব জুড়ে দারুণ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি কালজয়ী ক্লাসিক চলচ্চিত্র ‘মিলড্রেড পিয়ার্স’ অভিনয়ের মাধ্যমে। এই চলচ্চিত্রে জোন ক্রফোর্ডের স্বার্থপর ও বখে যাওয়া মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি, যা তার ক্যারিয়ারের মূল বিষয় হিসেবে অনুমান করা হয়। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক জর্জ পেনাচিও।
অ্যান ব্লিথের ক্যারিয়ারের সূচনা এবং প্রথম অভিষেক
নিউ ইয়র্কের মাউন্ট কিসকোতে জন্মগ্রহণ করেন অ্যান ব্লিথ, যিনি শৈশব থেকেই আর্টিস্ট হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার আগ্রহ থিয়েটার ও অপেরার দিকে ছিল, যার ফলে তিনি হলিউডে প্রবেশ করেন। ১৯৪১ সালে ব্রডওয়ে নাটক ‘ওয়াচ অন দ্য রাইন’ থেকে তার অভিনয়ের শুরু হয়, যা তার সামাজিক প্রতিষ্ঠা গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই পরিবর্তনের ফলে তিনি পরবর্তী বছরগুলোতে হলিউডের নজর কাড়েন।
অ্যান ব্লিথ তার জীবনে সাহসের পরিচয় দেয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন। ১৯৪৫ সালে তার মেরুদণ্ড ভেঙে যায় একটি বরফ-স্লেডিং দুর্ঘটনার কারণে, যা তার জীবনকে একটি গুরুতর পরিবর্তনে পরিণত করে। দীর্ঘ দেড় বছর হুইলচেয়ার এবং ব্যাক-ব্রেস ব্যবহার করেও তিনি অভিনয় থামিয়ে রাখেননি। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হারিয়ে তিনি পরবর্তীতে বড় পর্দা থেকে বিদায় নেন, কিন্তু মিউজিক্যাল থিয়েটার এবং টেলিভিশনে নিয়মিত কাজ করেন।
হলিউডের অন্যতম প্রতিভা এবং ক্লাসিক চলচ্চিত্রের মূল চরিত্র
অ্যান ব্লিথ হলিউডে তার বিশেষ স্থান অর্জন করেছিলেন বহু প্রশংসিত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি ‘মিলড্রেড পিয়ার্স’-এ চরিত্র বিশ্লেষণ করেন, যা হলিউডের বিশ্বাস করে তার ক্যারিয়ারের স্থান নির্ধারণ করে। তার পরবর্তী কাজগুলো যেমন ‘ব্রুট ফোর্স’ (১৯৪৭), ‘দ্য গ্রেট কারুসো’ (১৯৫১) এবং ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন হিজ আর্মস’ (১৯৫২) তার আরও মনোনয়ন ও সাফল্য ঘটায়। তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে পরিচিত ছিলেন পল নিউম্যানের সাথে অভিনয়ের জন্য অ্যান ব্লিথ।
তার প্রয়াণের পর হলিউডে অনেকে তার চরিত্র ও অভিনয়ের শৈল্পিকতার মূল্য বুঝতে পারেন। সেই সময়ে তার ক্ষমতা সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে বিশেষ মনোনয়ন ও প্রশংসা প্রাপ্ত হয়। বিশেষ করে ‘মিলড্রেড পিয়ার্স’ তার ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত মোড় ঘুরিয়ে দেয়, যা তার হলিউডে সাহায্য করে। তিনি তার জীবনে আরও অনেক কাজে অংশ নেন যেমন ‘দ্য হেলেন মরগান স্টোরি’ (১৯৫৭) ও ‘দ্য সাউন্ড অব মিউজিক’-এ। তার এই সম্পূর্ণ অভিনয়ের মূল্য বর্তমান হলিউড প্র
