রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি
রপ ত ন আয় মন দ ক – বাংলাদেশের রপ্তানি আয় মন্দা কাটেনি। গত মে মাসে দেশের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় কমেছে যা সার্বিক রপ্তানি হ্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ববাজারের অস্থিরতা, অভ্যন্তরীণ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমছে। এ বিষয়ে বিশ্লেষকরা পরিসংখ্যানগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন যার মাধ্যমে দেখা গেল রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি চলতে থাকছে।
রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনির পরিসংখ্যানগুলো
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে মোট ৪ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। এ মাসের রপ্তানি আয় আগের মাসের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি হয়েছে যদিও গত বছরের মে মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার। সার্বিকভাবে বিশ্লেষণ অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই থেকে মে) পণ্য রপ্তানি আগের অর্থবছরের তুলনায় ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমেছে। ইপিবি জানায়, মে মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ কমেছে।
চলতি অর্থবছরে নিটওয়্যার খাতে রপ্তানি হয়েছে ১৮ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারের পরিমাণ, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ কমেছে। রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি বিশ্লেষণে উঠে আসছে যে অভ্যন্তরীণ সংকট ও বিশ্ববাজারের স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের রপ্তানি আয় সম্পর্কে প্রভাব ফেলছে। কিন্তু অনেকে মনে করছেন রপ্তানি আয় সম্পর্কে প্রতিটি মাস বিশ্লেষণে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় মন্দা কাটেনি পরিস্থিতি সম্পূর্ণ কাটেনি হয়নি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে মূল্যস্ফীতি এবং দেশের ভিতরে নানামুখী প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের কারণে তৈরি পোশাকের দুই প্রধান স্তম্ভ নিটওয়্যার ও ওভেন কোনোটিই নেতিবাচক প্রবণতা থেকে বের হতে পারছে না। তবে রপ্তানি আয় সম্পর্কে কিছু শিল্প খাতে প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে যা রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি কাটানোর জন্য প্রয়োজনীয় দৃঢ় ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক।
রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি সম্পর্কে আরও পরিসংখ্যান দেখায় যে চলতি অর্থবছরের প্রথম ত্রিমাসে নিটওয়্যার খাতের রপ্তানি আগের তুলনায় ১৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারের পরিমাণ হয়েছে। এটি বিশ্ববাজারে প্রতিটি মাস দেখা গেল যে রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি প্রতিটি মাস অব্যাহত থাকছে। আগের মাস গত এপ্রিলে রপ্তানি আয় ঘুরে দাঁড়িয়েছ
