News

রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

36a92a82-a5dd-4add-99ad-a2bc9d783838-0

রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে স্বপ্না আক্তার তথ্য প্রকাশ করেছেন

Patrikajournal.com – র ম স হত য ক ণ – রাজধানী ঢাকার পল্লবী এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার (৭) এর হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তার স্বামী জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানাকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বপ্না আক্তার তার স্বামী সম্পর্কে ভয়ংকর তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, জাকির হোসেন একজন বিকৃত যৌনলালসা সম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি তার স্ত্রীকেও বিভিন্ন সময় নির্যাতন করতেন।

মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটে রামিসার মস্তকবিহীন লাশ খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথার খোঁজ পাওয়া যায়। নিহত রামিসা পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পল্লবী থানায় হত্যার মামলা চলছে।

অপরাধের পর পুলিশ স্বপ্নাকে ফ্ল্যাট থেকে আটক করে। কিন্তু জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তিনি নারায়ণগঞ্জে একটি দোকানে টাকা তুলতে গেছেন বলে খবর পাওয়া যায়। পুলিশ ও দোকানদারের সহায়তায় ডিএমপিকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের ধারণা, বিকৃত যৌনলালসার শিকার হয়েছিল রামিসা। রক্তক্ষরণ বা অপরাধের খবর প্রকাশ হওয়ার ভয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে শিশুটির মাথা ও হাত কেটে ফেলা হয়।

তদন্তে জানা গেছে, রামিসার পরিবার ঐ ভবনে দীর্ঘ ১৭ বছর বসবাস করেছে। কিন্তু অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে উল্টো দিকের ফ্ল্যাটে ভাড়া নেন। সাড়ে ১০টার দিকে তার মা খুঁজতে গিয়ে রামিসার স্যান্ডেল দরজার সামনে পান। তখন হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হচ্ছিল। স্বপ্না দরজা খোলেনি বলে জানায়, জাকির পালাতে পারেন।

আরও সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রকাশিত তথ্য

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, শিশুটির সঙ্গে কোনো বিকৃত যৌন আচরণ বা ধর্ষণ করা হয়েছে। রক্তক্ষরণের বিষয়টি টের পেয়ে যাওয়ার ভয়ে তাকে মেরে ফেলা হয়।’ তিনি বলেন, ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল রিপোর্টের পর।

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে ২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ২৭ মিনিট আ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *