News

সংস্কারের পর দ্রুত খুলে দেওয়া হবে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান ঘোষণা করেন জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পুনরায় খোলার পরিকল্পনা স স ক র র পর দ - মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান

Desk News
Published June 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান ঘোষণা করেন জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পুনরায় খোলার পরিকল্পনা
  2. জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের ঐতিহাসিক মূল্য

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান ঘোষণা করেন জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পুনরায় খোলার পরিকল্পনা

স স ক র র পর দ – মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান সংস্কারের পর জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত খুলে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেন। শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সংলগ্ন জাদুঘরে পরিদর্শন করার পর সাংবাদিকদের উপস্থিতি বর্ণনা করে তিনি এ বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান যে পূর্ববর্তী সরকারের প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণে জাদুঘরটি অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংস্কার প্রকল্পের লক্ষ্য ও প্রক্রিয়া

মন্ত্রী আহমেদ আজম খান ঘোষণা করেন যে জাদুঘরকে আগের মর্যাদায় ফিরিয়ে আনার জন্য সংস্কার প্রকল্প প্রস্তুত হচ্ছে। আধুনিকায়নের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের স্মৃতি ও ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী সংরক্ষণ করা হবে। সংস্কার কাজের সুবিধার্থে কয়েকটি কক্ষ খালি রাখা হয়েছে এবং সেই প্রস্তুতি চলছে অগ্রগামী পর্যায়ে।

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের ঐতিহাসিক মূল্য

মন্ত্রী আহমেদ আজম খান জানান যে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্ন। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠান ও বীর উত্তম খেতাবের অধিকারী ছিলেন। এ জাদুঘরের মাধ্যমে তার অবদান ও স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে।

আরও জানানো হয় যে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় সংস্কারের পর সামগ্রীগুলো ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তার স্মৃতি সংরক্ষণে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

সহযোগীদের উপস্থিতি ও আলোচনা

পরিদর্শনের সময় জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া এবং বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া উপস্থিত ছিলেন। তারা সংস্কারের পর স্মৃতি সংরক্ষণের প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যতে ঐতিহাসিক সম্পদ সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেন।

মন্ত্রী আহমেদ আজম খান আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যতের জন্য ইতিহাস জানা জরুরি। তিনি আরও জানান যে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী। এখানে সংস্কারের পর ইতিহাসের মূল্যবান স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে এবং দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার বিষয়ে জনগণের জ্ঞান বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এ প্রকল্প প্রস্তুত হচ্ছে।

সংস্কারের পর জিয়া স্মৃতি জাদুঘর খুলে দেওয়ার প্রস্তাব প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন যে এ স্থাপনা দেশের ঐ

Leave a Comment