ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা
ইসল ম সর বক ল র সর – মানবসভ্যতার বিকাশে মানুষ যুগে যুগে বিভিন্ন আইন, মতবাদ ও শাসনব্যবস্থা তৈরি করেছে। কিন্তু মানুষের নির্মিত সব ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধতা, স্বার্থপরতা ও পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। কারণ মানুষ সীমিত জ্ঞানের অধিকারী। এ কারণে কোরআনের আইনব্যবস্থা মানবজাতির জন্য স্রষ্টার পক্ষ থেকে নাজিল হয়েছে বলে বিবেচিত হয়। এতে রয়েছে স্থায়ী ও সার্বভৌম সমাধান যা কোনো যুগের প্রযোজ্য।
মহান আল্লাহ কোরআনকে সম্পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে ঘোষণা করেছেন। আয়াতের বার্তা দেখায় ইসলামের বিধান অসম্পূর্ণ বা অচল নয়; বরং পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত সাংবিধানিক নির্দেশনা। বর্তমান সমাজে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সামাজিক শান্তি নিয়ে সংগ্রাম চলছে। কিন্তু কোরআন দেড় হাজার বছর আগে এই সব বিষয়ের মৌলিক নীতিমালা প্রদান করেছে।
“আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বিনকে পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের ওপর আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জন্য দ্বিন হিসেবে পছন্দ করলাম ইসলামকে।” (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৩)
আধুনিক বিশ্বে মানুষ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঋণের বোঝা ও আর্থিক অস্থিরতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু কোরআন সুদকে নিষেধ করে ন্যায্য বণ্টনের শিক্ষা দিয়েছে। আল্লাহ বলেন, “আর আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।” (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৭৫) এ কারণে ইসলামী ব্যাংকিং ও সুদমুক্ত অর্থনৈতিক মডেল বিশ্বজুড়ে মূল্যবান হয়ে উঠেছে।
সামাজিক সমানতার ক্ষেত্রে কোরআন এগিয়ে আছে। আল্লাহ বলেন, “হে মানুষ, আমি তোমাদের এক নারী ও এক পুরুষ থেকে সৃষ্টি করেছি আর তোমাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি। যাতে তোমরা পরস্পর পরিচিত হতে পার।” (সুরা : হুজুরাত, আয়াত : ১৩) এই ভাষায় ইসলাম বিভিন্ন শ্রেণী বা পরিচয়ের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব নির্দেশ করেনি। কোরআনে সাম্যের মূলনীতি আধুনিক মানবাধিকার সনদের বহু আগে প্রদান করা হয়েছে।
ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের তথ্যমতে, গত এক দশকে ইসলামী অর্থনীতি শিল্প দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে। প্রতিবছর এর প্রবৃদ্ধির হার ১০-১২ শতাংশ ছিল। কোরআনের �
