খেলাপি ঋণের আঁকড়া বাড়ছে
ত ন ম স খ ল প – বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে অপ্রত্যাশিত ঋণ বৃদ্ধি নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্চ শেষে মোট খেলাপি ঋণ হল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ। তিন মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৩১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা।
এ বছরের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ। তিন মাসে হার বৃদ্ধি পেয়েছে ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ পয়েন্ট। এক বছর আগের একই সময়ে হার ছিল ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ।
ঋণের গুণগত মান ঝুঁকি বাড়ছে
ব্যাংকগুলোর প্রভিশন সংরক্ষণের কথা ছিল ৪ লাখ ৬১ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা। বিপরীতে প্রকৃতপক্ষে রক্ষিত প্রভিশন রয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮ কোটি টাকা। ফলে মোট প্রভিশন ঘাটতি হল ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা।
ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদদের মতে, খেলাপি ঋণের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠছে। খেলাপি ঋণের হার ৩০ শতাংশের বেশি হওয়ায় অনেক ব্যাংকের মূলধন সক্ষমতা ও তারল্য পরিস্থিতির ওপর চাপ বাড়তে পারে।
খেলাপি ঋণের বৃদ্ধি বিশ্লেষণ
ব্যাংক খাতে মোট ঋণ বিতরণ ছিল ১৭ লাখ ৪১ হাজার ৯৯২ কোটি টাকা। এক বছরে তা বেড়ে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ বছরে ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৮২ হাজার ৬৭৬ কোটি টাকা বা ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
খেলাপি ঋণের বড় অংশ মন্দ ঋণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মার্চ খেলাপি ঋণের মধ্যে ৫ লাখ ৫১ হাজার ৫৫৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা মন্দ ঋণ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, যা মোট খেলাপি ঋণের ৯৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে ২৮,৭৪৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
ঋণ গ্রহণের অবস্থা
মার্চ শেষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ হল ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকা। মোট ঋণের ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশই শ্রেণিকৃত ঋণে পরিণত হয়েছে। ডিসেম্বর শেষে এ হার ছিল ৪৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অংশ সবচেয়ে বেশি। মার্চ শেষে এগুলোর শ্রেণিকৃত ঋণ হল ৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা, যা খাতের মোট শ্রেণি�
