জার্মানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী
ব ল দ শ ব ন য় – বাংলাদেশ বন স্বাগতিক বৈঠকে জার্মানির ফেডারেল ফরেন অফিসের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্তম্যানের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আলোচনা করা হয়েছে। আলোচনার মূখ্য বিষয়গুলো হলো দুই দেশের বর্তমান বাণিজ্য সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং জ্বালানি রূপান্তর, সবুজ প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন সহযোগিতার প্রস্তাব।
বাংলাদেশ বনে বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে নীতিগুলি গুরুত্বপূর্ণ
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বন আর্থিক উন্নয়নের সাথে সাথে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রয়োজন হয়েছে। তিনি জানান, রপ্তানি খাতের গৃহপালন হিসেবে চিহ্নিত পোশাক শিল্পে আরও বিনিয়োগ সম্ভব হবে। যাইহোক, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বৃদ্ধি হিসেবে বাংলাদেশ বনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বাংলাদেশ বন এ আরও সম্পর্কের সুযোগে বাণিজ্যের প্রসার বাড়াতে আগ্রহী। তিনি আরও বলেন, বিপুল সংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করায় নতুন শিল্পায়ন এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য সময়ের দাবি হয়েছে। সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম প্রবৃদ্ধি করছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আগ্রহ দেখায় জার্মানি
বাংলাদেশ বনের জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি এবং কৌশলগত মজুত ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই খাতে বিদেশি বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তি সহযোগিতার স্বাগত জানানো হবে বাংলাদেশ। জার্মানির মহাপরিচালক হার্তম্যান বলেন, জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদী টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি গঠন করবে। জার্মান সরকার ও বেসরকারি খাত বাংলাদেশ বনের পাশে থাকতে আগ্রহী।
বাংলাদেশ বন জার্মানির সাথে সংস্কার কার্যক্রমের সমন্বয় করে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করে ব্যবসার শুরু এবং পরিচালনা ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে তারা ক্রমাগত পরিবর্তন সাধন করছেন। সাথে সাথে, জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি এবং কৌশলগত মজুত ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ জার্মানির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বাংলাদেশ বনের সাথে জার্মানির সহযোগিতায় দীর্ঘমেয়াদী সমৃদ্ধি ঘটানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন স্তরে প্রকল্প প্রবৃদ্ধি করা হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত
