বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট
ব ত হ ন সড়ক অপর ধ – যদিও কিছু রাস্তায় সড়কবাতি রয়েছে, তবে তারা নিভে গেছে। কিছু এলাকায় আলো নেই, আর কিছু এলাকায় বাতি থাকলেও আলো কম। ফলে সন্ধ্যার পর কিছু এলাকা আতঙ্কে পরে যায় যখন তাদের সড়কবাতি পর্যাপ্ত নেই। নীরবে-নির্বিঘ্নেই চুরি, ছিনতাই ও মাদক কারবার বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজধানীর সুযোগ ও সীমান্ত এলাকা—সবখানেই অন্ধকার কুপিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ প্রাপ্ত হয়েছে।
হাউজিং এলাকার সড়কবাতি সংকট
গত দেড় যুগেও নতুন হাউজিং এলাকাগুলো সড়কবাতি পায়নি। মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ থেকে নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জগামী সড়ক ঘিরে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগপারে ডজনখানেক নতুন আবাসিক প্রকল্প গড়ে উঠেছে। কিন্তু সেখানে সড়কবাতি স্থাপন করা হয়নি। সন্ধ্যার পর বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে নেমে আসে অন্ধকার।
“মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীদের জন্য ঢাকা উদ্যান বা বছিলা এলাকা এখন জনপ্রিয়। কিন্তু সড়কবাতি অভাবে চুরি-ছিনতাই নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আমিও দুইবার চুরির শিকার হয়েছি।” – শেখ তৌফিক, জাতীয় দৈনিক
বাতিহীন রাস্তাগুলো চোর ও ছিনতাইকারীদের বড় সুযোগ দিচ্ছে। সিটি করপোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে এলাকাগুলো গড়ে উঠেছে বলে জানান অর্পিতা অমি, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী। “আমাদের এলাকায় ঠিকমতো একটিও সড়কবাতি নেই। গত ঈদের আগে বাবার ফোন ছিনতাই হয়ে গেছে।”
তুরাগ হাউজিং, চন্দ্রিমা হাউজিং, ওয়েস্ট ধানমণ্ডি হাউজিং ও মেট্রো হাউজিং এলাকাগুলোতে বেশির ভাগ রাস্তা অন্ধকার। মো. সেলিম বলেন, “পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে সিটি করপোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স নিচ্ছে। অথচ সড়কবাতি লাগায় না। দু-একটি বাতি আছে, সেগুলো হাউজিং কর্তৃপক্ষ নিজেরা লাগিয়েছে।”
অপরাধের বৃদ্ধির কারণ
নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এখানে ৩০ থেকে ৪০ জন নিরাপত্তাকর্মী কাজ করলেও তাদের বেশির ভাগই স্থানীয় বখাটে ছেলে। সিটি করপোরেশনের কার্যকর নজরদারি নেই।”
লালমাটিয়া প্রধান সড়কেও অনেক জায়গায় বাতি নেই। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “এলাকায় পর্যাপ্ত সড়কবাতি না থাকায় মানুষ আতঙ্কে থাকে। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো চু
