যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির আশায় কমল তেলের দাম
য ক তর ষ ট র ইর – মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি চুক্তির আশার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন দেখা দিয়েছে। এশিয়ার শেয়ারবাজারে সেই প্রভাব বিস্তারিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে একটি চুক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটেছে।
বিশ্লেষকদের মতে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়ে। এই সংঘাত পরিবহনের দাম ও অস্থিরতার জন্য কারণ হয়েছে। মার্চ থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ব্যাপক উত্তাপ তৈরি হয়েছিল।
ট্রাম্প বলেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নৌপথ পুনরায় সচল করা চুক্তির প্রধান লক্ষ্য। সম্ভাব্য চুক্তির আগে তিনি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা ঘটেছে।
অন্য পক্ষে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কিছু বিষয়ে দূরত্ব কমলেও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। জ্বালানি ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি চুক্তির খবরে আপাতত তেলের বাজারে স্বস্তি ফিরলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কারণ যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত তেল স্থাপনা পুনর্গঠন এবং বিশ্ববাজারে কমে যাওয়া জ্বালানি মজুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হবে।
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার পর বিশ্ববাজারের তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। জ্বালানির দাম কমে আসায় স্বস্তি ফিরেছে এশিয়ার ব্যবসা-বাণিজ্যে। জাপানের প্রধান শেয়ার সূচক ‘নিক্কেই ২২৫’ প্রায় আড়াই শতাংশ বেড়ে উচ্চতর স্তরে পৌঁছেছে।
তবে ট্রাম্প তার আলোচক দলকে ধীরস্থিরভাবে এগোনোর পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে একটি কার্যকর ও টেকসই চুক্তি নিশ
