News

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে অন্তত ১৭ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য কিনবে চীন | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে কমপক্ষে ১৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কৃষিজনিত পণ্য কিনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে য ক তর ষ ট র থ - হোয়াইট হাউসে প্রকাশিত তথ্যপত্রে জানানো

Desk News
Published May 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে কমপক্ষে ১৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কৃষিজনিত পণ্য কিনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে

য ক তর ষ ট র থ – হোয়াইট হাউসে প্রকাশিত তথ্যপত্রে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এ ক্রয় কার্যক্রম ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলবে। এতে বলা হয়, ২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত লক্ষ্যমাত্রা বছরের অবশিষ্ট সময়ের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে নির্ধারণ করা হবে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা তাদের প্রতিবেদনে এ খবর তুলে ধরেছে। খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অন্তত ৮ কোটি ৭০ লাখ টন সয়াবিন কিনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এ বিষয়ে নতুন চুক্তি অনুসারে এ হার আরও বৃদ্ধি পাবে।

চুক্তির অংশ হিসেবে গরুর মাংসের বাজার পুনরায় উন্মুক্ত হবে

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ এবং চীন যুক্তরাষ্ট্রের গরুর মাংসের বাজার পুনরায় উন্মুক্ত করবে। এজন্য মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া চারশর বেশি উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নবায়ন করা হবে। পাশাপাশি বার্ড-ফ্লুমুক্ত অঙ্গরাজ্য থেকে পোলট্রি আমদানি বেইজিং পুনরায় শুরু করবে।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় আনতে দুই দেশ নতুন দুটি সংস্থা গঠনে সম্মতি দিয়েছে। সংস্থা দুটি হলো—‘ইউএস-চায়না বোর্ড অব ট্রেড’ ও ‘ইউএস-চায়না বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট’।

তবে চীন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বৈঠকের সংখ্যাগুলো ছিল তুলনামূলক কম, যদিও পরাশক্তি দুইটির মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হতে পারে তাইওয়ান ইস্যুর ভিত্তিতে বলা হয়েছে।

বৈঠক শেষে হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা ও ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।

অন্যদিকে বেইজিংয়ের বিবৃতিতে ইরানের পারমাণবিক ইস্যুসহ অন্যান্য বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষের উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে সমাধান পাওয়া জরুরি বলা হয়েছে। দুই পক্ষের কোনো বিবৃতিতেই তাইওয়ানের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বৈঠকের আগে শি জিনপিং সতর্ক করে বলেছিলেন, তাইওয়ান ইস্যু সঠিকভাবে পরিচালিত না হলে দুই পরাশক্তির মধ্যে সংঘাত হতে পারে।

দীর্ঘ প্রায় এক দশ

Leave a Comment