News

রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির আড়ালে ঝুঁকি রয়েছে র জ র ভ র আড় ল - দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিত পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে কিছু উন্নতির কারণে, যেমন

Desk News
Published June 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির আড়ালে ঝুঁকি রয়েছে

র জ র ভ র আড় ল – দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিত পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে কিছু উন্নতির কারণে, যেমন প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক লেনদেনের উন্নতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ হাজার ৭৩৪ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আইএমএফ হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ হল ৩০ হাজার ৭৭ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বৈদেশিক আয়ের স্থায়িত্ব পরীক্ষা করা প্রয়োজন

তবে এই ইতিবাচক চিত্রের আড়ালে কিছু দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছেন, বৈদেশিক আয়ের বৃদ্ধির অধিকাংশ স্থান হতেছে ঋণ-প্রবাহ থেকে। অর্থাৎ বৈদেশিক লেনদেন সুন্দর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে বলে মনে হলেও দীর্ঘ মেয়াদে এটি স্থায়ী হবে না।

“রিজার্ভ বৃদ্ধি আসলে ভালো খবর, কিন্তু যদি এটি ঋণ বা সাময়িক উৎস থেকে আসে, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে টেকস্যুই হবে না। আমাদের প্রধান নজর রপ্তানি এবং উৎপাদন বাড়ানোর দিকে রয়েছে।” বলেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

বর্তমান বাজেটে প্রস্তাবিত ব্যয় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা এবং রাজস্বের লক্ষ্য হল ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে ঘাটতি প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার মতো হয়েছে। এই ঘাটতি মেটানোর জন্য ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি, বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস রপ্তানি খাত। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের সমান সময়ে ছিল ৪৪ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি আয় বৃদ্ধি না হলে রিজার্ভ শক্ত ভিত্তি পাবে না।

বিনিয়োগ পরিস্থিতিও আশাব্যঞ্জক নয়। নতুন শিল্প স্থাপন বা যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলা এবং নিষ্পত্তি দুটি কমেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জিডিপির সঙ্গে বিনিয়োগের অনুপাত কমে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটি বোঝায় উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে কিছুটা পিছিয়ে আছেন। ভবিষ্যতে উৎপাদন এবং কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়তে পারে।

সাথে সাথে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। সিপিডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ঋণ পরিশোধ ছিল ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু ২০২৫ সালে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ আগামী বছরগুলোতে আ

Leave a Comment