সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ
সন ত র স দ র গ – সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি পূরণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বরিশাল শহরে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে মহাসড়ক অবরোধ ঘটে। নবগ্রাম রোডে একটি যুবককে হামলা করে তার হাত বিচ্ছিন্ন করার ঘটনার প্রতিবাদে এলাকার মানুষ মানববন্ধন এবং পরিচালনা বন্ধ করার মাধ্যমে সংগ্রাম চালায়। অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় সাধারণ চালাচল প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বিঘ্ন হয়। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় পুলিশ আশ্বাস দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করে। পুলিশের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলার আসামিদের গ্রেফতারের জন্য কাজ চালু হবে।
নির্মাণসামগ্রী বালু বিস্তারে হামলা ঘটে
গত ১ জুন সকালে ললিত দাসপোল এলাকায় নির্মাণসামগ্রী বালু রাখার বিরোধে হামলা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী নির্মাণকাজের কারণে বালু বিস্তার হওয়ায় নাগরিকদের প্রতিবাদের জন্য প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে। তারা হামলা করে ও যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তারপর স্থানীয়দের সাহায্যে ভর্তি করা হয় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আহতের অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুনুল ইসলাম জানান, আসামিদের গ্রেফতারের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি ঘোষণা করেন যে সরকার ও পুলিশ একত্রে ক্রিমিনালদের ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
গুরুতর আহত যুবকের পরিবারের দাবি
আহত যুবক মুন্নার পরিবার একটি স্পষ্ট দাবি জানায় যে আসামিদের প্রতিবাদ করে তাদের নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষ মনোনয়ন হবে। তাদের মতে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি তুলে ধরা হয়েছে এবং এ জন্য পুলিশ সংকট প্রতিক্রিয়া নেয়া দরকার। তবে ঘটনার পর পুলিশের গৃহীত প্রতিক্রিয়া কিছুটা আশাজনক বলে মনে করা হয়।
এ বিষয়ে পুলিশের বিশদ তথ্য দেয়া হয় যে গুরুতর আহত যুবক মুন্নাকে হাসপাতালে প্রেরণ করার পর তার অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ায় ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্ট পরিবার সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে।
সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি পূরণের জন্য বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ ঘটানো হয়। সংগ্রামে যোগদানকারীদের কাছে স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সম্মুখে সংগ্রাম চালানো হয়। মানুষের মানববন্ধন থেকে শহরের পরিচালনা বিঘ্নিত হয়। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেন যে এ ধরনের সংগ্রাম সমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ
