স বজন হ র ন র: এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনার অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার
স বজন হ র ন র ক – স্বজন হারানোর ক্ষতি বইছেন এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনা ঘটেছিল গত বছরের ১২ জুন। সেই দিন এআই-১৭১ ফ্লাইটটি আহমেদাবাদের সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের পথে উড্ডয়ন করছিল। যাত্রীদের ওপর আছড়ে পড়া বিজে মেডিকেল কলেজের হোস্টেল ও ক্যান্টিন নিয়ে বিমানটি আকাশের বিনাশ ঘটেছিল। এ দুর্ঘটনায় মোট ২৬০ জন মানুষের জীবন ছিনতাই হয়েছিল, যার মধ্যে পাইলট ও যাত্রীদের সাথে অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
এ ঘটনার তদন্ত এক বছর পরও চলছে। যাত্রীদের মনে হচ্ছে যে স বজন হ র ন র ঘটনা এভিয়েশন খাতকে ধরা পড়েছে বলে মনে হয়। এয়ারলাইন্স কোম্পানির শেয়ার দাম কমে যাওয়ায় মালিকদের দুঃখ হয়েছিল। বিমানের ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জীবন বর্বর করা দুঃখের বিপর্যয় হয়েছিল।
তুলনীয় ক্ষতি ও ব্যক্তিগত বিপর্যয়
সিতাবেন পাটানি ছিলেন গুজরাটের একজন চায়ের স্টল চালক। তার ছেলে আকাশ পাটানি মায়ের জন্য খাবার নিয়ে দেশে ফিরছিল। ঠিক তখনই ড্রিমলাইনার ৭৮৭ বিমানটি তাদের পরিবারের উপর আছড়ে পড়ে। স বজন হ র ন র বিপর্যয়ের পর আকাশ এবং সিতাবেনের প্রাণ হারানোর ক্ষতি নিয়ে আরও বেশি প্রভাব পড়েছিল।
‘আমি শেষবারের মতো ছেলেটাকে দেখতেও পারিনি। আমার স্মৃতির সব ছাপা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। স বজন হ র ন র ক্ষতির প্রতি আমার মন দুঃখ জড়ানো।’
পরিকল্পনা আর ক্ষতিপূরণ: আয়তন আর দুঃখ দুর্ঘটনার প্রভাব নিয়ে
সিতাবেন পাটানির শরীর স্থানান্তরিত হয়নি, কিন্তু স বজন হ র ন র ঘটনার কারণে তার বাবা ও স্ত্রী প্রাণ হারিয়েছিলেন। সিতাবেনের দাদা বাবুভাই পাটানি তার ছেলে আকাশের মৃত্যুর পর শোকে মারা যান। তার জীবন দুঃখে চাপা দেয়া হয়েছিল যেহেতু স বজন হ র ন র ক্ষতি তার পরিবারকে বিনাশের ধ্বংস করেছিল।
মাত্র ২০ দিনের মধ্যে সিতাবেন পাটানি তার সন্তানের খবর জানতে পারেন নি। তিনি বলেছিলেন যে ছেলেকে শেষবারের মতো দেখতে না পাওয়া দুঃখ তার মন থেকে হারিয়ে যায়নি। স বজন হ র ন র দুর্ঘটনার ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের স্বাস্থ্য আর জীবন ধ্বংস করেছিল।
এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনার বিপর্যয় প্রভাব বিস্তারের সময় স বজন হ র ন র পরিবারের ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছিল। আকাশ পাটানির মৃ
