মমতার বিরুদ্ধে হাদি ইস্যুতে মামলা
হ দ ইস য ত মমত র – হাদি ইস্যুতে মমতার বিরুদ্ধে একটি গুরুতর মামলা শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায় দায়ের করা হয়েছে। মামলার প্রস্তাবনা করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়, যিনি অভিযোগ করেন যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য গত ২ জুন কলকাতার রাসমণি রোডে অনুষ্ঠিত জনসভায় বাংলাদেশে ঘটনাস্থলে একটি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ দিয়ে ভারতবিরোধী ভাষায় ব্যবহৃত হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে এই মন্তব্য ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ভেদ করতে পারে এবং দেশের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তীব্র আপত্তি তুলেছে।
মামলার অভিযোগের তালিকা
অভিযোগ অনুযায়ী, মামলাটি ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় আবর্জনা হয়েছে। সেগুলির মধ্যে প্রধান ধারা হল বিশেষ করে ধারা ১৫২ ও ১৫৩ এর মধ্যে উসকানির অভিযোগ। ধারা ১৫২ অনুযায়ী রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে উসকানি বিষয়ে আরোপ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে মমতার বক্তব্য বাংলাদেশে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। ধারা ১৫৩ এর দাবি হল দাঙ্গা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উসকানি করা হয়েছে, কিংবা ভাষা, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে গোষ্ঠী মধ্যে শত্রুতা ছড়ানোর অভিযোগ। আর ধারা ১৯১ ও ১৯২ দ্বারা দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা এবং মিথ্যা তথ্য বিস্তারের বিষয়ে তার সাথে আরোপ করা হয়েছে।
“বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসা একটি বড় খুনিকে এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল। বাংলাদেশে এই ঘটনার প্রতি ব্যাপক বিক্ষোভ ছিল। আমি অন্য দেশের বিষয়ে কিছু বলছি না, শুধু বলছি তারা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে আসে। এখানে আসার পর আমাদের এসটিএফ তাকে ধরেছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন যে বিষয়টি যেন বাইরে প্রকাশ না করা হয়। আমি জানি কাকে দিয়ে খুন করানো হয়েছিল এবং কার কার নাম সামনে এসেছিল।”
মামলার সামগ্রিক ধারণা হল যে মমতার বক্তব্য বাংলাদেশে ঘটনাস্থলে একটি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ দিয়ে বিশেষ করে হাদি ইস্যুতে ভারতবিরোধী ভাষায় বিশ্লেষণ করে দেশের স্থায়ী বিশ্বাস ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগ বিস্তার করেছে যে তিনি বিষয়টি প্রকাশ করে আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। এই মামলা আইনে এখন যাচ্ছে কি ভাবে দায়িত্ব পালন করা হয়েছে এবং কোন প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হয়েছে তা পরীক্ষা করতে চলছে।
অভিযোগের প্রভাব ও মামলার গুরুত্ব
রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায় বলেন যে মমতার বক্তব্য ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ভেদ করতে পারে, যার ফলে দেশের সম্প্রসারণে প্রতিকূল প্রভাব পড়তে পারে। অভিযোগে এখন মামলার গুরুত্ব বিশেষ করে
