প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি প্রবর্তন করেছে
প রব স দ র স ব – প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সরকার জিরো টলারেন্স প্রবর্তন করেছে, যা বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতের প্রতিটি বিষয়ে স্পষ্ট ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ঘোষণা করেন যে কোনও সিন্ডিকেট বা প্রভাবশালী চক্রের কাছে মন্ত্রণালয় মাথা নত করবে না। তিনি বলেন, কর্মীদের রক্ষা করতে সব ধরনের দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সরকার বিএমইটি কার্ডের সাথে প্রবাসীদের পুনরায় যাওয়ার সুযোগ এবং সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন মালয়েশিয়া সরকারের সাথে অব্যাহত রয়েছে।
জিরো টলারেন্স কমিটির গঠন করা হয়েছে
প্রবাসীদের বরাবর স্বার্থ রক্ষার জন্য সব ধরনের সুবিধা অর্জনের জন্য সরকার সংগঠনগুলি গঠন করেছে। মালয়েশিয়া গমনে চ্ছিছু কর্মীদের শেষ সময়ের দুর্ভোগ এবং বিমানের টিকিটের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধের জন্য একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা পরিষ্কার করার জন্য নিয়মিত আলোচনা করছেন।
প্রবাসী কার্ড চালু হলে বিএমইটি কার্ড ব্যবহার করা হবে না বলে ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মীদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের বিষয়টি গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় এখন প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য নতুন কর্মীদের পুনরায় যাওয়ার সুযোগ বা সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব গ্রহণের কথা বলেছেন। এটি মালয়েশিয়া সরকারের সাথে সংবাদ সম্মেলনে আলোচিত হয়েছে।
নতুন প্রবাসী কার্ডে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
প্রবাসী কার্ডে ডিজিটাল পরিচয়পত্র ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। কর্মীদের পুনরায় বাংলাদেশে আসার প্রক্রিয়া সহজ করা হবে, যাতে তারা ব্যবস্থা চালু হলে একে সুবিধাজনক ভাবে ব্যবহার করতে পারেন। কর্মীদের ক্ষতিপূরণের জন্য সংগঠনগুলি স্থানীয় ও বৈদেশিক দুর্নীতি বিরোধী ব্যবস্থা নিশ্চিত করছে।
এই কমিটির গঠন করা হয়েছে যাতে প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য দুর্নীতি বিরোধী কাজ সম্পাদন করা হয়। প্রতিটি কর্মীর জন্য পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তারা কর্মীদের প্রতি সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য হবে যাতে স্বার্থ রক্ষা করতে পারে।
মন্ত্রণালয় বর্তমানে প্রবাসীকল্যাণ কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিক্রমণের জন্য সংগঠনগুলি গঠন করেছে। এই প্রক্রিয়ায় সংবাদ প্রকাশের সময়সীমা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকার কর্মীদের পুনরায় যাওয়ার সুযোগ ও সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টি সামনে রয়েছে।
