বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য
ব পর যস ত অর থন ত – বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে পরীক্ষিত ও প্রযোজ্য পরিকল্পনা প্রস্তুত হয়েছে। বাজেটে স্বপ্নের মধ্যে কোনো অবস্থা থাকছে না, বাস্তব অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে চলছে। অর্থনৈতিক অবস্থা তখন কঠিন হয়ে আসছে।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সমস্যাগুলো
গত কয়েক বছরে বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা, অনিয়ম-দুর্নীতি, ডলারের সংকট এবং আমদানি ব্যয়ের বৃদ্ধির কারণে অর্থনীতি চাপে পড়েছে। ব্যাংক খাতে আস্থার ঘাটতি, স্থবিরতা এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া প্রতিকূল হয়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং বাজেট বাস্তবায়ন এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নয়ন ব্যয় চালিয়ে যেতে হবে, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। বাজেট বড় হলেই যথেষ্ট হবে না, সেটি বাস্তবায়নের ক্ষমতাও থাকতে হবে।
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য স্থায়ী সমাধান খুঁজছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বাস্তবভিত্তিক সংস্কার দ্বারা অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে টেকসই পথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
বাজেটের প্রয়োজনীয় উদ্যোগগুলো
বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে মূল্যস্ফীতি এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এটি সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় কমাচ্ছে। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের ব্যক্তিদের উপর তা সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে। অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় কমানোর প্রয়াস চলছে। খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে কৃষি উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আর্থিক খাত শক্তিশালী না হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি হবে না। কর্মসংস্থান এবং উৎপাদন কোনোটাই বৃদ্ধি পাবে না। সেজন্য খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ও ব্যাংক একীকরণের প্রয়াস চলছে।
বিনিয়োগে স্থবিরতা রয়েছে। শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ কম হয়ে আসছে। ব্যাংকিং খাত দুর্বল হয়েছে, কিছু ব্যাংকে অনিয়ম এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এই সমস্য
